প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২২৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মুকুট పిప్పి6 তখন আকাশ পাতাল যেন শিহরিয়া উঠিল। চন্দ্রনারায়ণ চমকিয়া জাগিয়া ‘এসো ভাই বলিয়া আলিঙ্গনের জন্য দুই হাত তুলিয়া দিলেন। ইন্দ্রকুমার দাদার আলিঙ্গনের মধ্যে বন্ধ হইয়া শিশুর মতো কাঁদিতে লাগিলেন। চন্দ্রনারায়ণ ধীরে ধীরে বলিলেন, "আঃ, বচিলাম ভাই! তুমি আসিবে জানিয়াই এতক্ষণ কোনোমতে আমার প্রাণ বাহির হইতেছিল না। ইন্দ্রকুমার, তুমি আমার উপরে অভিমান করিয়াছিলে, তোমার সেই অভিমান লইয়া কি আমি মরিতে পারি। আজ আবার দেখা হইল, তোমার প্রেম আবার ফিরিয়া পাইলাম—এখন মরিতে আর কোনো কট নাই।" | বলিয়া দই হাতে তাঁহার তাঁর উৎপাটন করিলেন। রক্ত ছটিয়া পড়িল, তাঁহার শরীর হিম হইয়া আসিল। মাদস্বরে বলিলেন, “মরিলাম তাহাতে দুঃখ নাই, কিন্তু আমাদের পরাজয় হইল!" r Ad ইন্দ্রকুমার কাদিয়া কহিলেন, "পরাজয় তোমার হয় নাই দাদা, পরাজয় আমারই হইয়াছে।” খেলা শেষ করিয়া আসিলাম, এখন তোমার কোলে পথান দাও।”—বলিয়া চক্ষ মাদ্রিত করিলেন। ভোরের বেলা নদীর পশ্চিম পাড়ে চন্দ্র যখন পাডুবণ হইয়া আসিল, চন্দ্রনারায়ণের মাদ্রিতনের মুখচ্ছবিও তখন পান্ডুবৰ্ণ হইয়া গেল। চন্দ্রের সঙ্গে সঙ্গোই তাঁহার জীবন অস্তমিত হইল।