প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বর্ষার সমান সরে অন্তর বাহির পরে সংগীতের মনুষলধারায়— পরাণের বহন্দরে কলে কলে ভরপর, বিদেশী কাব্যে সে কোথা হায়! তখন সে পুথি ফেলি দয়ারে আসন মেলি বসি গিয়ে আপনার মনে— কিছু করিবার নাই, চেয়ে চেয়ে ভাবি তাই দীঘদিন কাটিবে কেমনে। মাথাটি করিয়া নিচু বসে বসে রচি কিছর বহযেত্নে সারাদিন ধরে— ইচ্ছা করে অবিরত আপনার মনোমত গল্প লিখি একেকটি করে। ছোটো প্রাণ, ছোটো ব্যথা, ছোটো ছোটো দুঃখকথা নিতান্তই সহজ সরল— সহস্র বিসমতিরাশি প্রত্যহ যেতেছে ভাসি, তারি দু-চারিটি আশ্রজেল । নাহি বৰ্ণনার ছটা ঘটনার ঘনঘটা, নাহি তত্ত্ব, নাহি উপদেশ– অন্তরে অতৃপিত রবে: সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হয়ে হইল না শেষ । জগতের শত শত অসমাপত কথা যত, অজ্ঞাত জীবনগলা, অখ্যাত কীতির ধলা, কত ভাব, কত ভয় ভুল— সংসারের দশ দিশি ঝরিতেছে অহনিশি ঝরঝর বরষার মতো— ক্ষণ-আশ্র ক্ষণহাসি পড়িতেছে রাশি রাশি, শব্দ তার শনি অবিরত। চারি দিকে করি তপোকার उाई मिटझ काँच्न जर्राघो একটি বিস্মতিবটি জীবনের শ্রাবণনিশার। ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১২৯৯ – বর্ষাযাপন। সোনার তরী