প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২৩৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিভিন্ন ছোটোগলপ काणानदक्वभिक छिथाद्भिनौ ষোলো বছর বয়সের. . .আরম্ভের মুখেই দেখা দিয়েছে ভারতী। . আমার মতো ছেলে, যার না ছিল বিদ্যে, না ছিল সাধ্যি, সেও সেই বৈঠকে জায়গা জড়ে বসল অথচ সেটা কারও নজরে পড়ল না, এর থেকে জানা যায় চার দিকে ছেলেমানষি হাওয়ার যেন ঘরে লেগেছিল। . . . আমি লিখে বসলম এক গল্প, সেটা যে কী বকুনির বিননি নিজে তার যাচাই করবার বয়স ছিল না, বুঝে দেখবার চোখ যেন অন্যদেরও তেমন করে খোলে নি । s. —রবীন্দ্রনাথ। ছেলেবেলা কর্ণা কেবল বৈষ্ণব পদাবলী নহে, তখন বাংলা সাহিত্যে যে-কোনো বই বাহির হইত আমার লব্ধ হস্ত এড়াইতে পারিত না।...এই সব বই পড়িয়া জ্ঞানের দিক হইতে আমার যে অকাল পরিণতি হইয়াছিল বাংলা গ্রাম্য ভাষায় তাহাকে বলে জ্যাঠামি— প্রথম বৎসরের ভারতীতে প্রকাশিত আমার বাংলা রচনা কর্ণা’-নামক গল্প তাহার নমনা। —রবীন্দ্রনাথ। জীবনস্মৃতির খসড়া পোস্টমাস্টার কালকের চিঠিতে লিখেছিলাম আজ অপরাহু সাতটার সময় কবি কালিদাসের সঙ্গে একটা এনগেজমেন্ট করা যাবে। বাতিটি জালিয়ে টেবিলের কাছে কেদারাটি টেনে বইখানি হাতে যখন বেশ প্রস্তুত হয়ে বসেছি, হেনকালে কবি কালিদাসের পরিবতে এখানকার পোস্টমাস্টার এসে উপস্থিত। ... এই লোকটির সঙ্গে আমার একটা বিশেষ যোগ আছে। যখন আমাদের এই কুঠিবাড়ির একতলাতেই পোস্টঅপিস ছিল এবং আমি একে প্রতিদিন দেখতে পেতুম তখনই আমি একদিন দপুরবেলায় এই দোতলায় বসে সেই পোস্টমাস্টারের গল্পটি লিখেছিলাম। এবং সে গল্পটি যখন হিতবাদীতে বেরল তখন আমাদের পোস্টমাস্টারবাব তার উল্লেখ করে। বিস্তর লজামিশ্রিত হাস্য বিস্তার করেছিলেন। যাই হোক, এই লোকটিকে আমার বেশ লাগে। বেশ নানারকম গল্প করে যান, আমি চুপ করে বসে শনি। ওরই মধ্যে ওঁর আবার বেশ একটা হাস্যরসও আছে। সাজাদপরে, ২৯ জন ১৮৯২ -ब्रवौन्छ्रनाथ । झिब*ाद्य