প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২৫৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


soఇ8 ছোটোগলেপর প্রকৃতি ছোটোগল্পের প্রকৃতি ও বড়ো গল্পের সহিত তাহার প্রভেদের কথা রবীন্দ্রনাথ আলোচনা করিয়াছেন তাঁহার শেষ কথা গলে্পর ছোটো গলপ’-শীর্ষক পাঠান্তরের সচনায়, বতমান গ্রন্থের ৮৮৭-৮৮ পৃষ্ঠা দুষ্টব্য। গলে্পর পালট শ্ৰীহেমেন্দ্রকুমার রায় যাঁদের দেখেছি’ গ্রন্থের দ্বিতীয় পবে রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গে লিখিয়াছেন—“তাঁর আরো একটি আশচয ক্ষমতা ছিল। . . সংলাপের আসরে বসে অনরেন্ধ হলে রবীন্দ্রনাথ মুখে মুখেই নতেন গল্প ও উপন্যাসের প্লট তৈরি করে দিতে পারতেন। ১৩ ‘সংলাপের আসরে মুখে-মুখে তৈরি কয়েকটি গল্পের বিবরণ অন্যত্র পাওয়া যাইবে। শ্রীমৈত্রেয়ী দেবীর ‘মংপতে রবীন্দ্রনাথ’ (প্রথম সংস্করণ) গ্রন্থের ১৮৫-৮৮ পাঠায় এইরুপ ‘একটা সত্যি গল্প বিবত আছে। মখে-মুখে তৈরি একটি গলে্পর বিবরণ দিয়াছেন শান্তিনিকেতনের পরাতন ছাত্রী শ্ৰীমতী মমতা দাশগুপ্ত— শান্তিনিকেতন বিদ্যালয় ছেড়ে আসবার অনেক দিন পরে আর একটি দিনের কথাও আজ মনে পড়ছে। ১৯৩৫এ গরদেব একবার লক্ষেী আসেন। . . আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার কেমরন রোডে একটি ছোটো বাড়িতে থাকতাম। সেই বাড়ির সামনেই মস্ত একটা তেতুল গাছ। আমার সেই ছোটো বাড়িতেই একদিন তাঁর পদধলি পাবার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। কতক্ষণই বা ছিলেন তিনি, কিন্তু সেই বাড়ির কথা তিনি কখনো ভোলেন নি। ১৯৩৬এ আমি কিছুদিন শান্তিনিকেতনে ছিলাম। তখন একদিন সন্ধ্যাবেলা আমি ও আমার মা গরদেবকে প্রণাম করতে গিয়েছি। আমরা তাঁকে প্রণাম করতেই তিনি আমাদের মোড়ায় বসতে বললেন। আমরা বসতেই তিনি হঠাৎ আমার দিকে তাকিয়ে গলপ বলতে শরে করলেন। ‘সদের পশ্চিমের একটি শহরে ছোট একটি বাড়ি। সামনেই প্রকাণ্ড একটা তেঁতুল গাছ। সেদিন শীতের সন্ধ্যা, বাইরে বটি চলছে। গহকতা অধ্যাপক গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে এলাহাবাদে । তা সত্ত্বেও গহিণী অত্যন্ত ব্যস্ত। বাদলা সন্ধ্যা, বন্ধরো আসবেন। তাদের জন্য নানারকম সাংলাভাজা, চিড়েভাজা, কচুরি তৈরি করে তিনি তাদের অপেক্ষায় আছেন—এমন সময়ে বাইরের দরজায় কে জোরে আঘাত করল। গহিণী দরজা খলে দেখেন সেই দলযোগে অন্ধকারে একটি তেইশ-চব্বিশ বছরের সন্দের ছেলে বষ্টিতে ভিজে বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। গহিণীকে দেখেই ছেলেটি বলে উঠল, "আজকের রাতটার জন্য যদি একটা আপনার বাড়িতে স্থান পাই। আমি আজ