প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জঙ্গ শরৎকুমারী যৌতুক গল্পটি লিখিয় ফেলেন। সম্ভবতঃ রবীন্দ্রনাথ ইহা জানিতেন না ; কারণ পরবতীকালে তিনি এই প্লটটি আবার চার বন্দোপাধ্যায়কে দেন এবং তিনি চাদির জন্তা' গল্পটি লেখেন। গল্পটি চারবাবর ‘বরণডালা’ নামক পশতকে স্থান পাইয়াছে। .." —সম্পাদকীয় ভূমিকা। শরৎকুমারী চৌধরাণীর রচনাবলী দেবী গল্পটির আখ্যানভাগ শ্ৰীযন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয় আমায় দান করিয়াছিলেন—এ কথাটি প্রথম সংস্করণের ভূমিকায় উল্লেখ করি নাই। এখন করিলাম। — প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়। নব-কথা, দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকা ১৩৩৪ মাঘ সংখ্যা ভারতবষে প্রকাশিত শ্ৰীঅমিয়ভূষণ বসর হটমালার দেশে’ গল্পটি প’চিশ বৎসর পাবে শ্রন্ধেয় শ্ৰীযন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মুখে শ্রত গল্পের অসফট সমতি অবলম্বনে রচিত। গল্প-উপন্যাসের পলট বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে একবার কথাপ্রসঙ্গে যাহা বলিয়াছিলেন ( ১৩২১ ? ) এইখানে তাহা উল্লেখ করা যাইতে পারে— ‘তোমরা সব বড়ো পরে জন্মেছ। বছর কুড়ি আগে যদি জন্মাতে তা হলে তোমাদের আমি দেদার প্লট দিতে পারতাম। তখন আমার মনে হ’ত আমি দ্য হাতে পলট বিলিয়ে হরির লন্ট দিতে পারি।”১৬ সৎপাত্র রবীন্দ্রনাথ-সম্পাদিত বঙ্গদশন ১৩০৯ পৌষ সংখ্যায় সৎপাত্র নামে স্বাক্ষরবিহীন একটি গল্প প্রকাশিত হইয়াছিল, বষ্যসচেীতেও লেখকের নাম ছিল না। সাধারণতঃ এরপে ক্ষেত্রে রচনাটি সম্পাদকের বলিয়া অনুমিত হইয়া থাকে। অবশ্য, ইহাতে প্রমাদের সম্ভাবনা আছে, তাহা লেখনের কতকগুলি কবিতিকার দশটাতেই জানা যায়। অতএব, শ্রীপ্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ এ বিষয়ে শ্রীপলিনবিহারী সেনকে যে পত্র লেখেন তাহা এ স্থলে সংকলনযোগ্য— সৎপাত্র গলপটি সম্প্রবন্ধে যে প্রশন উঠেছে সে বিষয়ে সংক্ষেপে আমার বক্তব্য छान्ग़श् ि॥ JF ইণ্ডিয়ান প্রেসের হাত থেকে কবির বই প্রকাশ করার ব্যবস্থা যখন আমরা বিশ্বভারতী থেকে কিনে নিলাম তার কিছুদিন পরে গল্পগুচ্ছের একটি বিশ্বভারতীসংস্করণ ছাপানো সিথর হল । গলে্পর তালিকা তৈরি করতে গিয়ে দেখি যে কতকগুলি গলপ বাদ পড়েছে। সেইগলি কবির কাছে নিয়ে গেলাম—তার মধ্যে পত্রযজ্ঞ আর সৎপাত্র এই দলটি গল্পও ছিল। গল্প পড়ে আমার মনে হয়েছিল, যে, সম্ভবতঃ কবির লেখা। .