প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ब्रशिवाब्र ‛ · ዓbጫ “ক্ষুদ্র লোকের শ্রদ্ধার দানে মহৎ লোকের অকুণ্ঠিত অধিকার, আমি তো এই জানি। এই অধিকার দিয়ে তাঁরা অনুগ্রহ করেন, দয়া করেন।” : الجهم الها “সে কথা বঝেলাম, কিন্তু মেয়েদের গায়ের গয়না আমাদেরই আনন্দ দেবার জন্যে, আমরা যত সামান্যই হই– কারও বিলেতে যাবার জন্যে নয়, তিনি যত বড়োই হোন-না। আমাদের মতো পরষদের দটিকে এ তোমরা প্রথম থেকেই উৎসগ করে রেখেছ। এই হারখানি চুনির সঙ্গে মন্তোর মিল করা, এ আমি একদিন তোমার । গলায় দেখেছিলেম, যখন আমাদের পরিচয় ছিল অলপ। সেই প্রথম পরিচয়ের সমতিতে এই হারখানি এক হয়ে মিশিয়ে আছে। ওই হার কি একলা তোমার, ও যে আমারও 1" “আচ্ছা, ওই হারটা নাহয় তুমিই নিলে।” Ea “তোমার সত্তা থেকে ছিনিয়ে-নেওয়া হার একেবারেই যে নিরর্থক। সে যে হবে চুরি। তোমার সঙ্গে নেব ওকে সবসন্ধে সেই প্রত্যাশা কয়েই বসে আছি। ইতিমধ্যে ওই হার হস্তান্তর কর যদি, তবে ফাঁকি দেবে আমাকে।” “গয়নাগলো মা দিয়ে গেছেন আমার ভাবী বিবাহের যৌতুক। বিবাহটা বাদ দিলে ও গয়নার কী সংজ্ঞা দেব । যাই হোক, কোনো শুভ কিংবা অশুভ লগ্নে এই কন্যাটির সালংকারা মতি আশা কোরো না।” “অন্যত্র পাত্র সিথর হয়ে গেছে বুঝি ?” “হয়েছে, বৈতরণীর তীরে। বরঞ্চ এক কাজ করতে পারি, তুমি যাকে বিয়ে করবে সেই বধর জন্যে আমার এই গয়না কিছু রেখে যাব।” “আমার জন্যে বুঝি বৈতরণীর তীরে বধরে রাস্তা নেই ?” "ও কথা বোলো না। সজীব পাত্রী সব অাঁকড়ে আছে তোমার কুঠি।” “মিথ্যে কথা বলব না। কুঠির ইশারাটা একেবারে অসভব নয়। গনির দশায় সঙ্গিনীর অভাব হঠাৎ মারাত্মক হয়ে উঠলে, পরেষের আসে ফড়িার দিন।” "তা হতে পারে, কিন্তু তার কিছুকাল পরেই সঙ্গিনীর আবির্ভাবটাই হয় মারাত্মক। তখন ওই ফাঁড়াটা হয়ে ওঠে মশকিলের। যাকে বলে পরিস্থিতি।” “ওই বাকে বলে বাধ্যতামলেক উদবন্ধন। প্রসঙ্গটা যদিচ হাইপথেটিক্যাল, তব: সম্পভাবনার এত কাছ-ঘেষা যে এ নিয়ে তক করা মিথ্যে। তাই বলছি, একদিন যখন লালচেলি-পরা আমাকে হঠাৎ দেখবে পরহস্তগতং ধনং, তখন—“ "আর ভয় দেখিয়ো না, তখন আমিও হঠাৎ আবিস্কার করব, পরহস্তের অভাব নেই।” “ছি ছি মধ্যকরী, কথাটা তো ভালো শোনালো না তোমার মাখে। পরেষেরা তোমাদের দেবী বলে তুতি করে, কেননা তাদের অন্তধান ঘটলে তোমরা শুকিয়ে মরতে রাজি থাক। পরষদের ভুলেও কেউ দেবতা বলে না। কেননা অভাবে পড়লেই বধিমানের মতো অভাব পরেণ করিয়ে নিতে তারা প্রস্তুত। সন্মানের মশকিল তো ওই। একনিষ্ঠতার পদবিটা বাঁচাতে গিয়ে তোমাদের প্রাণে মরতে হয়। সাইকলজি এখন থাক, আমার প্রস্তাব এই—অমরবাবর অমরতলাভের দায়িত্ব আমাদেরই উপরে দাও-না। আমরা কি ওর মাল্য বুঝি নে। গয়না বেচে পর্ষকে লজা দাঁe কেন।” “ও কথা বোলো না। পরষদের যশ মেয়েদেরই সব চেয়ে বড়ো গদগদ । ষে ।