প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবিবার aషిపి কিছুকাল দেখা নেই অভাঁকের। চিঠিপত্র কিছল পাওয়া যায় নি। বিভার মখে শকিয়ে গেছে। কোনো কাজ করতে মন যাচ্ছে না। তার ভাবনাগুলো গেছে ঘালিয়ে । কী হয়েছে, কী হতে পারে, তার ঠিক পাচ্ছে না। দিনগুলো যাচ্ছে পাঁজর-ভেঙেদেওয়া বোঝার মতন। ওর কেবলই মনে হচ্ছে অভীক ওর উপরেই অভিমান করে চলে গেছে । ও ঘরছাড়া ছেলে, ওর বাঁধন নেই, উধাও হয়ে চলে গেল— ও হয়তো আর ফিরবে না। ওর মন কেবলই বলতে লাগল, রাগ কোরো না, ফিরে এসো, আমি তোমাকে আর দুঃখ দেব না।’ অভাঁকের সমস্ত ছেলেমানবি, ওর অবিবেচনা, ওর আবদার, যতই মনে পড়তে লাগল ততই জল পড়তে লাগল ওর দুই চক্ষন বেয়ে— কেবলই নিজেকে পাষাণী বলে ধিককার দিলে। এমন সময়ে এল চিঠি স্টীমারের-ছাপ-মারা। অভীক লিখেছে— জাহাজের সেটাকার হয়ে চলেছি বিলেতে। এঞ্জিনে কয়লা জোগাতে হবে। বলছি বটে ভাবনা কোরো না, কিন্তু ভাবনা করছ মনে করে ভালো লাগে। তব বলে রাখি এঞ্জিনের তাতে পোড়া আমার অভ্যেস আছে। জানি তুমি এই বলে রাগ করবে যে, কেন পাথেয় দাবি করি নি তোমার কাছ থেকে। একমাত্র কারণ এই যে, আমি যে আর্টিস্ট এ পরিচয়ে তোমার একটও শ্রদ্ধা নেই। এ আমার চিরদঃখের কথা ; কিন্তু এজন্যে তোমাকে দোষ দেব না। আমি নিশ্চয়ই জানি, একদিন সেই রসজ্ঞ দেশের গণেী লোকেরা আমাকে স্বীকার করে নেবে যাদের স্বীকৃতির খাঁটি মল্য আছে। অনেক মড় আমার ছবির অন্যায় প্রশংসা করেছে। আবার অনেক মিথ্যকে করেছে ছলনা। তুমি আমার মন ভোলানোর জন্যে কোনোদিন কৃত্রিম স্তব কর নি। যদিও তোমার জানা ছিল তোমার একটুখানি প্রশংসা আমার পক্ষে অমত। তোমার চরিত্রের আটল সত্য থেকে আমি অপরিমের দুঃখ পেয়েছি, তব সেই সত্যকে দিয়েছি আমি বড়ো মল্য। একদিন বিশ্বের কাছে যখন সম্মান পাব, তখন সব চেয়ে সত্য সম্মান আমাকে তুমিই দেবে, তার সঙ্গে হৃদয়ের সন্ধা মিশিয়ে। যতক্ষণ তোমার বিশ্বাস অসন্দিগধ সত্যে না পৌছবে ততক্ষণ তুমি অপেক্ষা করবে। এই কথা মনে রেখে আজ দুঃসাধ্যসাধনার পথে চলেছি । এতক্ষণে জানতে পেরেছ তোমার হারখানি গেছে চুরি। এ হার তুমি বাজারে বিক্তি করতে যাচ্ছ, এই ভাবনা আমি কিছুতেই সহ্য করতে পারছিলাম না। তুমি পজির ভেঙে সিদ্ধ কাটতে যাচ্ছিলে আমার বকের মধ্যে। তোমার ওই হারের বদলে আমার একতাড়া ছবি তোমার গয়নার বাক্সের কাছে রেখে এসেছি। মনে মনে হেসো না। বাংলাদেশের কোথাও এই ছবিগুলো ছোড়া কাগজের বেশি দর পাবে না। অপেক্ষা কোরো বাঁ, আমার মধ্যকরী, তুমি ঠকবে না, কখনোই না। হঠাৎ যেমন কোদালের মখে গপ্তেধন বেরিয়ে পড়ে, আমি জাঁক করে বলছি, তেমনি আমার wবিগলির দরমল্য দীপিত হঠাৎ বেরিয়ে পড়বে। তার আগে পর্যন্ত হেসো, কেননা সব মেয়ের কাছেই সব পর্ষ ছেলেমানষে—যাদের তারা ভালোবাসে। pোমার সেই নিখ কৌতুকের হাসি আমার কল্পনায় ভরতি করে নিয়ে চললাম :ামদ্রের পারে। আর নিলম তোমার সেই মধ্যময় ঘর থেকে একখানি মধ্যময় vপবাদ। দেখেছি তোমার ভগবানের কাছে তুমি কত দরবার নিয়ে প্রার্থনা কর, G는