প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*08 গল্পগুচ্ছ রাঙা রঙের মাতলামিতে তখন বিভোর আকাশ। শালগাছে ধরেছে মঞ্জরি, মৌমাছি ঘরে বেড়াচ্ছে ঝাঁকে ঝাঁকে। ব্যাবসাদাররা জোঁ-সংগ্রহে লেগে গিয়েছে। কুলের পাতা থেকে জমা করছে তসরের রেশমের গল্পটি। সাঁওতালরা কুড়োচ্ছে পাকা মহনয়া ফল । ঝিরঝির শব্দে হালকা নাচের ওড়না ঘুরিয়ে চলেছিল একটি ছিপছিপে নদী, আমি তার নাম দিয়েছিলাম তনিকা। এটা কারখানাঘর নয়, কলেজকাস নয়, এ সেই সখতন্দ্রায় আবিল প্রদোষের রাজ্য যেখানে একলা মন পেলে প্রকৃতিমায়াবিনী তার উপরেও রঙরেঙ্গিনীর কাজ করে— যেমন সে করে সযান্তের পটে। মনটাতে একটা আবেশের ঘোর লেগেছিল। মন্থর হয়ে এসেছিল কাজের চাল, নিজের উপরে বিরক্ত হয়েছিলাম ; ভিতর থেকে জোর লাগাচ্ছিলম দাঁড়ে। মনে ভাবছিলাম, ট্রপিকাল আবহাওয়ার মাকড়সার জালে জড়িয়ে পড়লম বুঝি। শয়তানি ট্রপিকস এ দেশে জন্মকাল থেকে হাতপাখার হাওয়ায় হারের মন্ত্র চালাচ্ছে আমাদের রক্তে—এড়াতে হবে তার স্বেদসিন্ত জাদ। বেলা পড়ে এল। এক জায়গায় মাঝখানে চর ফেলে দুভাগে চলে গিয়েছে নদী। সেই বালর বীপে স্তৰ হয়ে বসে আছে বকের দল। দিনাবসানে রোজ এই দশ্যটি ইঙ্গিত করত আমার কাজের বাঁক ফিরিয়ে দিতে। ঝুলিতে মাটিপাথরের নমনা নিয়ে ফিরে চলছিলাম আমার বাংলোঘরে, সেখানে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করতে যাব। অপরাহু আর সন্ধ্যার মাঝখানে দিনের ষে একটা পোড়ো জমির মতো ফালতো অংশ আছে, একলা মানুষের পক্ষে সেইটে কাটিয়ে চলা শন্ত। বিশেষত নিজন বনে। তাই আমি ওই সময়টা রেখেছি পরখ করার কাজে । ডাইনামোতে বিজলি বাতি জৱালাই— কেমিক্যাল নিয়ে, মাইকসকোপ নিয়ে, নিম্ভি নিয়ে বসি । এক-একদিন রাত দাপরে পেরিয়ে যায়। আজ আমার সন্ধানে এক জায়গায় ম্যাঙ্গানিজের লক্ষণ যেন ধরা পড়েছিল। তাই দ্রুত উৎসাহে চলেছিলাম। কাকগুলো মাথার উপর দিয়ে গেরয়া রঙের আকাশে কা কা শব্দে চলেছিল বাসায়। এমন সময় হঠাৎ বাধা পড়ল আমার কাজে ফেরায়। পাঁচটি শালগাছের বাহ ছিল বনের পথে একটা ঢিবির উপরে। সেই বেষ্টনীর মধ্যে কেউ বসে থাকলে কেবল একটিমাত্র ফাঁকের মধ্যে দিয়ে তাকে দেখা যায়, হঠাৎ চোখ এড়িয়ে যাবারই কথা। সেদিন মেঘের মধ্যে আশচয* একটা দীপিত ফেটে পড়েছিল। বনের সেই ফকিটাতে ছায়ার ভিতরে রাঙা আলো যেন দিগগনার-গঠি-ছোড়া সোনার মাঠোর মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ঠিক সেই আলোর পথে বসে আছে মেয়েটি, গাছের গড়িতে হেলান দিয়ে পা দটি বকের কাছে গুটিরে একমনে লিখছে একটি ডায়ারির খাতা নিয়ে। এক মহেনতে আমার কাছে প্রকাশ পেল একটি অপব বিস্ময়। জীবনে এ রকম দৈবাৎ ঘটে। পণিমার বান ডেকে আসার মতো বক্ষতটে ধাক্কা দিতে লাগল জোয়ারের ঢেউ। গাছের গড়ির আড়ালে দাঁড়িয়ে চেয়ে রইলাম। একটি আশ্চয’ ছবি চিহ্নিত হতে লাগল মনের চিরস্মরণীয়াগারে। আমার বিস্তৃত অভিজ্ঞতার পথে অনেক মহ৩juশ৩ মনোহরের দরজার ঠেকেছে মন, পাশ কাটিয়ে চলে গেছি, আজ মনে হল জীবনের একটা কোন চরমের সংস্পশে এসে পৌঁছলাম। এমন করে ভাবা, ●बन करब्र पला चाधाग्न ७८कवादग्न अछान्छ नन्न। ध्य जाथाटष्ठ बानद्वग्न निटखम्न श्रजाना