প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/৫৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ল্যাবরেটরি Ե ՀՓ: “বাহবা, আমারই দলের লোক দেখছি তুমি। তা হলে এবার আসল কথাটা পাড়া হোক।” "জানেন বোধ হয়, জীবনে আমার স্বামীর ল্যাবরেটবিই ছিল একমাত্র আনন্দ । আমার ছেলে নেই, ঐ ল্যাবরেটরিতে বসিয়ে দেব বলে ছেলে খুজছি। কানে এসেছে রেবতী ভট্টাচায্যের কথা।” অধ্যাপক বললেন, "যোগ্য ছেলেই বটে। তার যে লাইনের বিদ্যে সেটাকে শেষ পর্যন্ত চালান করতে মালমসলা কম লাগবে না।” সোহিনী বললে, “আমার রাশকরা টাকায় ছাতা পড়ে যাচ্ছে। আমার বয়সের বিধবা মেয়েরা ঠাকুর-দেবতার দালালদের দালালি দিয়ে পরকালের দরজা ফাঁক করে নিতে চায়। আপনি শুনে হয়তো রাগ করবেন, আমি ও-সব কিছই বিশ্বাস করি নে।” চৌধুরী দুই চক্ষ বিসফারিত করে বললেন, “তুমি তবে কী মান ?” "মানুষের মতো মানুষ যদি পাই, তবে তার সব পাওনা শোধ করে দিতে চাই যতদর আমার সাধ্য আছে। এই আমার ধমকম।” চৌধুরী বললেন, "হাররে। শিলা ভাসে জলে! মেয়েদের মধ্যেও দৈবাৎ কোথাও কোথাও বন্ধির প্রমাণ মেলে দেখছি। আমার একটি বি. এসসি, বোকা আছে, সেদিন হঠাৎ দেখি গরের পা ছয়ে সে উলটো ডিগবাজি খেলতে লেগেছে, মগজ থেকে বন্ধি যাচ্ছে উড়ে ফাটা শিমলের তুলোর মতো।--তা, তোমার বাড়িতেই ওকে ল্যাবরেটরিতে বসিয়ে দিতে চাও? তফাতে আর কোথাও হলে হয় না ?” “চৌধুরীমশায়, আপনি ভুল করবেন না, আমি মেয়েমানুষ। এইখানেই এই ল্যাবরেটরিতেই হয়েছে আমার স্বামীর সাধনা। তাঁর ঐ বেদির তলায় কোনো-একজন যোগ্য লোককে বাতি জনালিয়ে রাখবার জন্যে যদি বসিয়ে দিতে পারি, তা হলে যেখানে থাকুন তাঁর মন খুশি হবে।" চৌধুরী বললেন, “বাই জোভ, এতক্ষণে মেয়েমানুষের গলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। শনতে খারাপ লাগল না। একটা কথা জেনে রেখো, রেবতীকে যদি শেষ পৰ্যন্ত পরোপুরি সাহায্য করতে চাও তা হলে লাখ টাকারও লাইন পেরিয়ে যাবে।" "গেলেও আমার খন্দকুড়ো কিছর বাকি থাকবে।” “কিন্তু পরলোকে যাঁকে খুশি করতে চাও তাঁর মেজাজ খারাপ হয়ে যাবে না তো ? শুনেছি তাঁরা ইচ্ছা করলে ঘাড়ে চড়ে লাফালাফি করতে পারেন।” “আপনি খবরের কাগজ পড়েন তো। মানুষ মারা গেলেই তার গুণাবলী প্যারাগ্রাফে প্যারাগ্রাফে ছাপিয়ে পড়তে থাকে। সেই মত মানুষের বদান্যতার পরে ভরসা করলে তো দোষ নেই। টাকা যে মানুষ জমিয়েছে অনেক পাপ জমিয়েছে সে তার সঙ্গে, আমরা কী করতে আছি যদি থলি ঝেড়ে স্বামীর পাপ হালকা করতে ना श्रान्नि । शाक ६मा प्लेोका, आश्वाग्न प्लेकाग्न अङ्गकाग्न एनइँ ।” অধ্যাপক উত্তেজিত হয়ে বলে উঠলেন, “কণী আর বলব তোমাকে ৷ খনি থেকে সোনা ওঠে, সে খাঁটি সোনা, যদিও তাতে মিশাল থাকে অনেক-কিছল। তুমি সেই ছদ্মবেশী সোনার ঢেলা। চিনেছি তোমাকে। এখন কী করতে হবে বলো।” “ঐ ছেলেটিকে রাজি করিয়ে দিন।”