প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/৬১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


bf9 R গল্পগুচ্ছ বললে, “আমার স্বামী সহজে কিছ মানতেন না, তব তাঁর একটা অন্ধবিশ্বাস ছিল ফলে ফলে প্রকৃতির মধ্যে যা-কিছু আছে সন্দের, মেয়েরা বিশেষ অবস্থায় তার দিকে একান্ত করে যদি মন রাখে তা হলে সন্তানরা সন্দের হয়ে জন্মাবেই। ७ कथा छूभि दिथ्बान कब्र कि ।” বলা বাহুল্য, এটা নন্দকিশোরের মত নয়। রেবতী মাথা চুলকিয়ে বললে, “যথোচিত প্রমাণ তো এখনও জড়ো হয় নি।” সোহিনী বললে, “অন্তত একটা প্রমাণ পেয়েছি আমার আপন ঘরেই। আমার মেয়ে আমন আশ্চর্য রপে পেল কোথা থেকে ? বসন্তের নানা ফলের যেন— থাক, নিজের চোখে দেখলেই বুঝতে পারবে।” দেখবার জন্যে উৎসকে হয়ে উঠল রেবতী। নাট্যের কোনো সরঞ্জাম বাকি ছিল না। সোহিনী তার রাঁধনী বামনকে সাজিয়ে এনেছে পাজারী বামনের বেশে । পরনে চেলি, কপালে ফোঁটাতিলক, টিকিতে ফল বাঁধা, বেলের আঠায় মাজা মোটা পইতে গলায়। তাকে ডেকে বললে, “ঠাকুর, সময় তো হল, নীলকে এবার ডেকে নিয়ে এসো।” নীলাকে তার মা বসিয়ে রেখেছিল স্টীমলচে । ঠিক ছিল ডালি হাতে সে উঠে আসবে, বেশ খানিকক্ষণ তাকে দেখা যাবে সকালবেলার ছায়ায় আলোয়। ইতিমধ্যে রেবতীকে সোহিনী তন্ন তন্ন করে দেখে নিতে লাগল। রঙ মসৃণ শ্যামবর্ণ, একটা হলদের আভা আছে। কপাল চওড়া, চুলগুলো আঙুল বলিয়ে বালিয়ে উপরে তোলা। চোখ বড়ো নয় কিন্তু তাতে দটিশক্তির স্বচ্ছ আলো জবল জল করছে, মাখের মধ্যে সেইটেই সকলের চেয়ে চোখে পড়ে। নীচে মাখের বেড়টা মেয়েলি ধাঁচের মোলায়েম। রেবতীর সম্প্রবন্ধে ও যত খবর জোগাড় করেছে তার মধ্যে ও বিশেষ লক্ষ্য করেছে একটা কথা। ছেলেবেলাকার বন্ধুদের ওর উপরে ছিল কান্নাকাটি-জড়ানো সেণ্টিমেন্টাল ভালোবাসা। ওর মাখে যে একটা দবােল মাধ্যা ছিল, তাতে পরষ বালকদের মনে মোহ আনতে পারত। সোহিনীর মনে খটকা লাগল। ওর বিশ্ববাস, মেয়েদের মনকে নোঙরের মতো শক্ত করে অাঁকড়ে ধরার জন্যে পরেষের ভালো দেখতে হওয়ার দরকারই করে না। বৃদ্ধিবিদ্যেটাও গৌণ। আসল দরকার পৌরষের ম্যাগনেটিজম। সেটা তার স্নায়র পেশীর ভিতরকার বেতার-বাতার মতো। প্রকাশ পেতে থাকে কামনার অকথিত পধারাপে। মনে পড়ল, নিজের প্রথম বয়সের রসোন্মত্ততার ইতিহাস। ও যাকে টেনেছিল किम्वा ट्य छैटर्नाछळ ७८क, उाव्र ना झिल ब्रट्न, ना छिठन बिना, ना छिल वरशरगाँव्रब ।। কিন্তু কী একটা অদশ্য তাপের বিকিরণ ছিল যার অলক্ষ্য সংস্পশে সমস্ত দেহ মন দিয়ে ও তাকে অত্যন্ত করে অনুভব করেছিল প্রযেমানৰ ব'লে। নীলার । জীবনে কখন এক সময়ে সেই অনিবাব আলোড়নের আরম্ভ হবে এই ভাবনা তাকে স্থির থাকতে দিত না। যৌবনের শেষ দশাই সকলের চেয়ে বিপদের দশা, সেই সময়টাতে সোহিনীকে অনেকখানি ভুলিয়ে রেখেছিল নিরবকাশ জ্ঞানের চর্চায়। কিন্তু দৈবাৎ সোহিনীর মনের জমি ছিল স্বভাবত উবারা। কিন্তু যে জ্ঞান নৈব্যক্তিক, সব মেয়ের তার প্রতি টান থাকে না। নীলার মনে আলো পৌঁছয় না।