প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/৮২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ল্যাবরেটরি bfó○ “আপনি আমাকে অবিশ্বাস করছেন ?” "এতদিন অবিশ্বাস তো করি নি। কিন্তু লঙ্গাশরম যদি থাকে বিশ্বাসরক্ষার কথা তুমি আর মুখে এনো না।” রেবতী উঠতে যাচ্ছিল, নীলা তাকে কাপড় ধরে টেনে বসিয়ে দিলে। বললে, “আজ উনি বন্ধদের নিমন্ত্রণ করেছেন, সকলে যান আগে, তার পরে উনি যাবেন।” এর মধ্যে একটা নিষ্ঠর ঠোকর ছিল। সার আইজাক মায়ের বড়ো পেয়ারের, ওর মতো এতবড়ো বিশ্ববাসী আর কেউ নেই, তাই সকলকে ছাড়িয়ে ল্যাবরেটরির ভার ওর উপরেই। আরও একটা দেগে দেবার জন্যে বললে, “জান মা ? অতিথি আজ পয়ষট্টি জন, এ ঘরে সকলকে ধরে নি, এক দল আছে পাশের ঘরে— ঐ শনছ না হো হো লাগিয়েছে ? মাথা পিছ পচিশ টাকা ধরে নেয়, মদ না খেলেও মদের দাম ধরে দিতে হয়। খালি গেলাসের জরিমানা কম লাগল না। আর কেউ হলে মুখ চুপসে যেত। ওঁর দরাজ হাত দেখে ব্যাঙ্কের ডিরেক্টরের তাক লেগে গেছে । সিনেমার গাইয়েকে কত দিতে হয়েছে জান ?— তার এক রাত্তিরের পাওনা চারশো ोका ।” রেবতীর মনের ভিতরটা কাটা কইমাছের মতো ধড়ফড় করছে। শকেনো মাথে কথাটি নেই। সোহিনী জিজ্ঞাসা করলে, "আজকের সমারোহটা কিসের জন্যে ?” “তা জান না বুঝি? অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসে তো বেরিয়ে গেছে, উনি জাগানী ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হয়েছেন, তারই সম্মানে এই ভোজ। লাইফ মেম্বরশিপের ছশো টাকা সবিধেমত পরে শাধে দেবেন।" “সাবিধে বোধ হয় শীঘ্র হবে না।" রেবতীর মনটার মধ্যে স্টীমরোলার চলাচল করছিল। সোহিনী তাকে জিজ্ঞাসা করলে, “তা হলে এখন তোমার ওঠবার সবিধে হবে না ?” রেবতী নীলার মুখের দিকে তাকালে। তার কুটিল কটাক্ষের খোঁচায় পরষেমানুষের অভিমান জেগে উঠল। বললে, “কেমন করে যাই, নিমন্ত্রিতেরা সব—” সোহিনী বললে, “আচ্ছা, আমি ততক্ষণ এখানে বসে রইলাম। নাসেরউল্লা তুমি দরজার কাছে হাজির থাকো ।” নীলা বললে, “সে হতে পারবে না মা ! আমাদের একটা গোপন পরামশ আছে, এখানে তোমার থাকা উচিত হবে না।" “দেখ নীলা, চাতুরীর পালা তুই সবে শরে করেছিস, এখনও আমাকে ছাড়িয়ে যেতে পারবি নে। তোদের কিসের পরামশ সে খবর কি আমি পাই নি। বলে দিচ্ছি, তোদের সে পরামশের জন্যে আমারই থাকা সব চেয়ে দরকার ।" নীলা বললে, “তুমি কী শনেছ কার কাছে।" “খবর নেবার ফন্দি থাকে গতার সাপের মতো টাকার থলির মধ্যে। এখানে তিনজন আইনওয়ালা মিলে দলিলপত্র ঘেটে বের করতে চাও ল্যাবরেটরি-ফন্ডে ८कहना छिप्त उप्राटछ कि ना । उाई नग्न कि नौव्नद ।” 'o' নীলা বললে, “তা, সত্যি কথা বলব। বাবার অতখানি টাকার তাঁর মেয়ের কোনো