প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (চতুর্থ খণ্ড).pdf/৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বক্ষনাম très s করেছিল। হপতা খানেকের মধ্যে তার সন্ত্রী বসন্ত হয়ে মারা গেল। এর পরে আর প্রমাণের অভাব রইল না। সেই জন্য এবারে যখন মোচকাঠিতে ওর কোনো সাড়া পাওয়া গেল না, পাহারাওয়ালারা ঠিক করলে যে ও যখন খুশি আপনাকে লোপ করে দিতে পারে। ও তার একটি সাক্ষীও রেখে গেছে— একটা জলা জায়গায় পায়ের দাগ দেখা গেল, দহোত অন্তর এক-একটি পদক্ষেপ—দেড় হাত লম্বা। হিন্দ পাহারাওয়ালারা সেই পায়ের দাগের উপরে ভক্তিভরে লুটিয়ে পড়ে আর-কি! এই লোককে সম্পণে মন দিয়ে ধরপাকড় করা শক্ত হয়ে উঠেছে। ভাবছি মসলমান পাহারাওয়ালা আনাব, কিন্তু দেশের হাওয়ার গণে মুসলমানকে যদি ছোঁয়াচ লাগে তবে আরও সবনাশ হবে। খবরের কাগজওয়ালারা মোচকাঠিতে সংবাদদাতা পাঠাতে শর করলে। কোন পলাতকার এই লম্বা পা, তা নিয়ে অনেক ক্ষণ আলোচনা হল। এখন এ লোকটাকে কী করা যায়। এই কিছুদিন বেলে খালাস পেয়েছিল, সেই সযোগে দেশের হাওয়ায় যেন গাঁজার ধোওয়া লাগিয়ে দিলে। এ দিকে পিছনে প্রোপাগাণ্ডা চলছেই, নানা রকম ছায়া নানা জায়গায় দেখা যায়। এক জায়গায় মহাদেবের একগাছি চুল পাওয়া গেছে বলে আমার ভক্ত কনস্টেবল অত্যন্ত গদগদ হয়ে উঠেছে । সেটা যে শণের দাঁড় সে কথা বিচার করবার সাহসই হল না । ক’দিনের মধ্যে চার দিকে একেবারে গজেবের ঝড় উঠে গেল। মোচকাঠিতে ঐ পায়ের চিহ্নের BBB DDDDB BBB BBB BBDD DDD DDDDD DDB BBD DD DB BBBS একজন ভক্ত পাওয়া গেল, তিনি ছিলেন এক সময়ে ডিস্ট্রিক্ট জজ। তাঁর কাছে বসে অনিল ডাকাত শিবসংহিতার ব্যাখ্যা শরে করে দিলে—লোকটার পড়াশনা আছে। এমনি করে ভক্তি ছড়িয়ে যেতে লাগল। এবারকার বেলের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পর ওর নামে সাক্ষী জোগাড় করা অসম্পভব হয়ে পড়বে। অনিল ডাকাতকে নিয়ে এই তো আমার এক মন্ত সমস্যা বাধল। “সদন, তুমি জান বোধ হয় এ দিকে আর এক সংকট বেধেছে। আমার মামাতো ভাই গিরিশ সে হাতিবাঁধা পরগনায় পলিসের দারোগাগিরি করে। কতব্যের খাতিরে একজন কুলীন ব্রাহ্মণের ছেলের হাতে হাতকড়ি লাগিয়েছিল। সেই অবধি গ্রামের লোকেরা তাকে জাতে ঠেলবার মন্ত্রণা করছে। এ দিকে তার মেয়ের বিয়ের বয়স পেরিয়ে যায়, যে পাত্রই জোটে তাকে ভাঙিয়ে দেয় গ্রামের লোক। পাত্র যদি জোটে তবে পরতে জোটে না। দরে গ্রাম থেকে পরতের সন্ধান পেল, কিন্তু হঠাৎ দেখা গেল সে কখন দিয়েছে দৌড়। এবারে একটা কিনারা পাওয়া গেছে। বন্দাবন থেকে এক বাবাজি এসে হঠাৎ আমার হেড কনস্টেবলের বাড়িতে আভা দিলে, সদরাহ্মণ খাইয়ে-দাইয়ে আমরা সবাই মিলে তাঁকে খুশি করাচ্ছি। তাঁকে রাজি করানো গেছে। এখন গ্রামের লোকের হাত থেকে তাঁকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সদন, তুমিও এ কাজে সাহায্য করো।" $ “ওমা, করব না তো কী! ও তো আমার কতব্য। আহা, তোমাদের গিরিশের মেয়ে, আমাদের মিন। সে তো কোনো অপরাধ করে নি। তার বিয়ে তো হওয়াই फ़ाई। श्राट्ना प्ठाभाद्र बन्मावनवानौक, आधि जानि भे-जब व्यायौजिरमब्र कौ कख আদর যত্ন করতে হয় ।” "? o: এলেন বন্দাবনবাসী। বকে লটিয়ে পড়ছে সাদা দাড়ি, স্নারদ নির মতো।