প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (তৃতীয় খণ্ড).djvu/১৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শেষের রারি ●冷鸟 হঠাৎ অনেক দিনের শোনা একটা বাউলের গান যতীনের মনে পড়িয়া গেল

  • 303 মন, যখন জাগলি না রে

তখন মনের মানষে এল বারে। उद्भ চলে যাবার শব্দ শনে ভাঙল রে ঘমে, ও তোর ভাঙল রে ঘমে অন্ধকারে ॥ “মাসি, ঘড়িতে ক'টা বেজেছে।" “নটা বাজবে ।” “সবে নাটা ? আমি ভাবছিলাম বুঝি দটো তিনটে কি ক’টা হবে। সন্ধ্যার পর থেকেই আমার দাপরে রাত আরম্ভ হয়। তবে তুমি আমার ঘমের জন্যে অত ব্যস্ত হয়েছিলে কেন ।” * “কালও সন্ধ্যার পর এইরকম কথা কইতে কইতে কত রাত পৰ্যন্ত তোমার আর ঘমে এল না, তাই আজ তোমাকে সকাল-সকাল ঘমোতে বলছি।” "মণি কি ঘামিয়েছে।” “না, সে তোমার জন্যে মসরির ডালের সাপ তৈরি করে তবে ঘমোতে যায়।” “दहला कौ प्रानि, भांश कि उठ्द–” "সেই তো তোমার জন্যে সব পথ্যি তৈরি করে দেয় । তার কি বিশ্রাম আছে।” “আমি ভাবতুম, মণি বুঝি—” "মেয়েমানবের কি আর এ-সব শিখতে হয়। দায়ে পড়লেই আপনি করে নেয়।” "আজ দুপারবেলা মেরিলা মাছের ষে ঝোল হয়েছিল তাতে বড়ো সন্দের একটি তার ছিল। আমি ভাবছিলাম তোমারই হাতের তৈরি।” “কপাল আমার ! মণি কি আমাকে কিছু করতে দেয়। তোমার গামছা তোয়ালে নিজের হাতে কেচে শকিয়ে রাখে। জানে যে, কোথাও কিছু নোংরা তুমি দেখতে পার না। তোমার বাইরের বৈঠকখানা যদি একবার দেখ তবে দেখতে পাবে, মণি দলবেলা সমস্ত ঝেড়ে মুছে কেমন তকতকে ক’রে রেখে দিয়েছে; আমি যদি তোমার এ ঘরে ওকে সবাদা আসতে দিতুম তা হলে কি আর রক্ষা থাকত। ও তো তাই চায়।” "মণির শরীর বঝি—” & “ডাক্তাররা বলে, রোগীর ঘরে ওকে সবাদা আনাগোনা করতে দেওয়া কিছু নয়। ওর মন বড়ো নরম কি না, তোমার কাট দেখলে দদিনে যে শরীর ভেঙে পড়বে।” "মাসি, ওকে তুমি ঠেকিয়ে রাখ কী করে।” “আমাকে ও বন্ড মানে বলেই পারি। তব বারবার গিয়ে খবর দিয়ে আসতে হয়— ঐ আমার আর-এক কাজ হয়েছে।” আকাশের তারাগলি যেন কর্ণাবিগলিত চোখের জলের মতো জলজল করিতে লাগিল। যে জীবন আজ বিদায় লইবার পথে আসিয়া দাঁড়াইয়াছে যতীন তাহাকে মনে মনে কৃতজ্ঞতার প্রণাম করিল—এবং সম্মখে মৃত্যু আসিয়া অন্ধকারের ভিতর হইতে যে দক্ষিণ হাত বাড়াইয়া দিয়াছে যতীন স্নিগ্ধ বিশ্বাসের সহিত তাহার উপরে