প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:গল্পগুচ্ছ (তৃতীয় খণ্ড).djvu/৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গপ্তেধন 66 & কোনো ফল হইল না। বারবার মনে হইতে লাগিল, কেন সে কাগজখানা পড়াইয়া zरहळिालाभ-८नथाना ब्राथिळलई दा क्रांठ कौ छिठ् । “তখন আবার আমার সেই জন্মগ্রামে গেলাম। আমাদের পৈতৃক ভিটার নিতান্ত কিন্তু এই গরিবরা তো গহী, সেই গনপত সম্পদ ইহাদের জন্য উদ্ধার করিয়া দিলে তাহাতে দোষ নাই । “সেই লিখন কোথায় আছে জানিতাম, তাহা সংগ্রহ করা আমার পক্ষে কিছুমার कठेिन श्झेल ना । “তাহার পরে একটি বৎসর ধরিয়া এই কাগজখানা লইয়া এই নিজন বনের মধ্যে গণনা করিয়াছি আর সন্ধান করিয়াছি। মনে আর-কোনো চিন্তা ছিল না। যত বারবার বাধা পাইতে লাগিলাম ততই উত্তরোত্তর আগ্রহ আরও বাড়িয়া চলিল—উন্মত্তের মতো অহোরাত্র এই এক অধ্যবসায়ে নিবিকট রহিলাম। "ইতিমধ্যে কখন তুমি আমার অনুসরণ করিতেছ তাহা জানিতে পারি নাই। আমি সহজ অবস্থায় থাকিলে তুমি কখনোই নিজেকে আমার কাছে গোপন রাখিতে পারিতে না; কিন্তু আমি তন্ময় হইয়া ছিলাম, বাহিরের ঘটনা আমার দস্টি আকষণ করিত না। "তাহার পরে, যাহা খ:জিতেছিলাম আজ এইমাত্র তাহা আলিঙ্কার করিয়াছি। এখানে যাহা আছে পৃথিবীতে কোনো রাজরাজেশবরের ভাণ্ডারেও এত ধন নাই। আর একটিমাত্র সংকেত ভেদ করিলেই সেই ধন পাওয়া যাইবে । "এই সংকেতটিই সবাপেক্ষা দরহে। কিন্তু এই সংকেতও আমি মনে-মনে ভেদ করিয়াছি। সেইজন্যই পাইয়াছি বলিয়া মনের উল্লাসে চীৎকার করিয়া উঠিয়াছিলাম । যদি ইচ্ছা করি তবে অার এক দন্ডের মধ্যে সেই সবণমাণিক্যের ভাণ্ডারের মাঝখানে গিয়া দাঁড়াইতে পারি।" মৃত্যুঞ্জয় শংকরের পা জড়াইয়া ধরিয়া কহিল, “তুমি সন্ন্যাসী, তোমার তো ধনের কোনো প্রয়োজন নাই – আমাকে সেই ভাণ্ডারের মধ্যে লইয়া যাও । আমাকে বঞ্চিত করিয়ো না।” শংকর কহিলেন, “আজ আমার শেষ বন্ধন মুক্ত হইয়াছে। তুমি ঐ যে পাথর ফেলিয়া আমাকে মারিবার জন্য উদ্যত হইয়াছিলে তাহার আঘাত আমার শরীরে লাগে নাই, কিন্তু তাহা আমার মোহাবরণকে ভেদ করিয়াছে। তৃষ্ণার করালমতি আজ আমি দেখিলাম। আমার গরে পরমহংসদেবের নিগঢ়ে প্রশান্ত হাস্য এত দিন পরে আমার অন্তরের কল্যাণদীপে অনিবাণ আলোকশিখা জনালাইয়া তুলিল।” , মৃত্যুঞ্জয় শংকরের পা ধরিয়া পনরায় কাতর স্বরে কহিল, “তুমি মুক্ত পরবে, আমি মন্ত নহি, আমি মন্তি চাহি না, আমাকে এই ঐশ্বয হইতে বঞ্চিত করিতে পরিবে না।” * সন্ন্যাসী কহিলেন, “বৎস, তবে তুমি তোমার এই লিখনটি লও। যদি ধন খুজিয়া লইতে পার তবে লইয়ো।" এই বলিয়া তাঁহার যটি ও লিখনপত্র মৃত্যুঞ্জয়ের কাছে রাখিয়া সন্ন্যাসী চলিয়া গেলেন। মৃত্যুঞ্জয় কহিল, "আমাকে দয়া করো, আমাকে ফেলিয়া যাইয়ো না—আমাকে