খুব জোর আর তাের খুব সাহসও আছে দেখছি। আমি এই বাড়ীর ভূতদের সর্দ্দার। এখানে যে সব টাকাকড়ি আছে সে সব এতদিন আমরা পাহারা দিতাম। এখন সে টাকাকড়ি তাের। এই বলে সে কানুকে একটা ঘরে নিয়ে গিয়ে দেখাল, সে ঘর ভরা কত সােনা রূপো, মণি, মুক্ত ঝক্ ঝক্ কর্ছে।
পরদিন সকাল হতেই রাজামশাই অনেক লােকজন নিয়ে ভূতের বাড়ীতে গেলেন। তাঁরা ত মনে করেছেন ভূতেরা নিশ্চয়ই কানুকে মেরে ফেলেছে। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন যে সে নাক ডাকিয়ে ঘুমুচ্ছে। তা দেখে রাজামশাই যেমন আশ্চর্য্য হলেন, কানুর কাছে সব কথা শুনে তেমনি খুসীও হলেন। তার পর তাকে আদর করে গায়ে হাত বুলিয়ে, নিজের বাড়ীতে এনে খুব ধূমধাম করে তার সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিলেন।
রাজার বাড়ীতে কানু খুব সুখেই আছে, কিন্তু তার এখনও এই ভারি দুঃখ যে সে কাপুনি শিখ্তে পারল না। সে রাত্রে ঘুমের মধ্যেও বলে “তাইত, কাঁপুনি শিখ্তে পারলাম না। কাঁপুনি শিখ্তে হবে।”
তা শুনে একদিন রাজার মেয়ে করলেন কি, তাঁর ঝিকে বললেন, “ঝি, নদী থেকে কতগুলাে ছােট ছোট মাছ ধরে নিয়ে আয় তো। এনে, মাছগুলাে এক কলসী ঠাণ্ডা জলে রেখে দে।”
তখন শীতকাল। রাত্রে যখন কানু ঘুমিয়েছে, এমন সময় সেই মাছভরা ঠাণ্ডা জলের কলসী নিয়ে রাজার মেয়ে তার গায়ে ঢেলে দিলেন। ঠাণ্ডা জলের সঙ্গে সেই ছােট ছােট মাছগুলাে