বুড়ী যে সে বুড়ী নয়, সে এক রাক্ষসী। সে এখন বুড়ো হয়েছে, তরে দাঁত নড়ছে তাই এখন আর শক্ত মাংস চিবিয়ে খেতে পারে না, খালি খোকা খুকী ধরে খায়, আর তাদের ভূলিয়ে আন্বার জন্য মিঠাই মণ্ডা দিয়ে বনের ভিতরে ঘর বানিয়ে রেখেছে।
বুড়ীকে দেখে হরি আর গিরির এমনি ভয় হল যে তারা দুজনে কাঁদতে লাগ্ল। বুড়ী তাদের ভােলাবার জন্য ভারী মিষ্টি করে বল্ল, “কেন বাছারা কাঁদছ কেন? এস আমার ঘরে এস। তােমাদের জন্য কত খাবার রেখেছি; কেমন সুন্দর বিছানা করে বেখেছি।” তারা ত জানে না যে সেটা রাক্ষুসী, তারা তার কথায় খুসী হয়ে তার সঙ্গে ঘরে গেল।
প্রথম দিন বুড়ী তাদের খুবই যত্ন কর্ল। কিন্তু তার পরদিনই হতভাগী হরিকে নিয়ে এক ঘরে বন্ধ করে গিরিকে বল্ল, “খুব ভাল করে রান্না কর্। তাের ভাইকে খাইয়ে খাইয়ে মােটা কর্তে হবে, তারপর আমি তাকে খাব।”
এই কথা শুনেইত গিরি কেঁদে গড়াগড়ি দিল। কিন্তু রাক্ষুসী তার কান্না শুন্বে কেন? সে রােজ তাকে দিয়ে ঘর ধােয়াতে আর রান্না করাতে লাগ্ল।
এর মধ্যে হরি আর গিরি এক ফন্দি করেছে। হরিকে যে ঘরে রেখেছিল তার দরজা জানালা সব বন্ধ, কেবল একটা জানালায় একটা ফুটো। সেই ফুটো দিয়ে তাকে খাবার দেয়। রাক্ষুসী এসে রােজ সেই ফুটোর কাছে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করে, “দেখিত কত মােটা হয়েছিস্। তাের আঙ্গুল দেখি।, তখন হরি করে কি,