পাঁশকুড়ানী যখন রাজার বাড়ীতে গেল তখন তাকে দেখে সকলে ভাব্ল, “ছয় ঘোড়ার গাড়ী চড়ে না জানি এ কোন রাজার মেয়ে এসেছে! কি সুন্দর পোষাক, আর কি সুন্দর দেখ্তে! আর গাড়ী ঘোড়াই বা কি সুন্দর!” সত্যি সত্যিই পাঁশকুড়ানীকে এত সুন্দর দেখাচ্ছিল যে তার সৎ বোনেরা ও তাকে দেখে চিন্তে পারেনি। রাজার ছেলে ভাব্লেন, “এমন চমৎকার মেয়ে কখন দেখিনি।” যতক্ষণ পাঁশকুড়ানী সেখানে রইল, ততক্ষণ তিনি কেবল তার সঙ্গেই গল্প করলেন।
বারটা বাজ্তেই পাঁশকুড়ানী তাড়াতাড়ি সেখান থেকে বাড়ী চলে এল। তখন তার গাড়ী ঘোড়াও নেই, সে পোষাকও নেই। যে ছেঁড়া কাপড় সেই ছেঁড়া কাপড়।
তারপর সৎ বোনেরা রাজ বাড়ী থেকে ফিরে এসে তার কাছে কত গল্পই কর্ল! তারা বল্ল “আমরা কেমন রাজার বাড়ী নেমন্তন্ন খেয়ে এলাম। তুই যেতে পার্লি না। সে কি চমৎকার বাড়ী, কত লোকজন! আর, এক রাজার মেয়ে যে এসেছিল, তেমন কেউ দেখেনি! তার ছয় ঘোড়ার গাড়ী, কি চমৎকার পোষাক, কি চমৎকার দেখ্তে!” শুনে পাঁশকুড়ানী। বুঝ্তে পারল যে তারা তার কথাই বল্ছে। সে মনে মনে খুব খুসী হল, কিন্তু কিছু বল্ল না।
পরদিন আবার তারা পোষাক প’রে, গাড়ী চড়ে নেমন্তন্ন খেতে গেল, পাঁশকুড়ানীকে নিয়ে গেল না। সে দিনও আবার সেই পরী এসে তাকে গাড়ী ঘোড়া কাপড় চোপড় দিয়ে রাজার