পাতা:চন্দ্রশেখর- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/১৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শৈবলিনী কি করিল। ృsసి কৰ্কশ, ভয়াৰহু শঙ্ক সকল এককালে প্রৱেশ করিতে লাগিল—e হৃদয়বিদারক আর্ননা, পৈশাচ্‌কি हांश, विकल्ले हर्काब्र, পৰ্ব্বতবিদারণ, অশনিপতন, শিলাঘর্ষণ, জলকঙ্গোল, অগ্নিগর্জন মুমূৰুর ক্রন্থন, সকলই এককালে শ্রবণ বিীর্ণ করিতে লাগিল । সম্মুখ হইতে ক্ষণে ক্ষণে ভক্সনাদে এরূপ প্রচণ্ড বায়ু বহিতে লাগিল যে, তাহাতে শৈবলিনীকে অগ্নিশিখার স্কায় দগ্ধ করিতে লাগিল— কখনও বা শীতে শতসহস্ৰ চুরিকাঘাতের छfग्न ऊछ झुि विझिछ করিতে লাগিব । শৈবলিনী ডাকিতে লাগিল, “প্রাণ যায় ! রক্ষা কর ।” তখন অসহ্য এক বৃহৎ কদৰ্য্য কীট আসিয়া শৈবলিনায়ু মুখে প্রত্নেশ,ক্ষরিত প্রবৃত্ত হইল। শৈবলিনী তখন চীৎকার করির বলিতে লাগিল, “রক্ষা কয় ! এ পরক । এখান হইতে উদ্ধারের কি উপায় নাই ?” মহাকায় পুরুস বলিলেন, “আছে ।” স্বপ্রাবস্থায়’মাত্মকুত চীৎকার শৈবর্ণিনীর মোহনিদ্র ভঙ্গ হইল । কিন্তু তখনও ভ্রান্তি যায় নাই—পৃষ্ঠে প্রস্তর ফুটিতেছে। শৈবলিনী ভ্রান্তিবশে জাগ্রতেও ডাকির বলিল, 穩 “আমার কি হবে ! আমার উদ্ধারের কি উপায় নাই ?” গুহ্যমধ্য হইতে গম্ভীয় শব্দ হুইল, “औरख् o এ কি এ ? শৈবলিনী কি সত্য সত্যই নয়কে ? শৈবলিনী, বিস্থিত, বিমুগ্ধ, ভাত চিত্তে জিজ্ঞাসা করিল গুহামধ্য হইতে উত্তর হইল, “দ্বাদশবার্ষিক ব্রত অবলখন কর ।” এ কি দৈববাণী ? শৈবলুিনী কাতর ঘূর্ণ ‘বলিতে লাগিল, “কি সে ব্ৰত ? কে আমায় শিখাইবে ?**