পাতা:চারি প্রশ্ন - রামমোহন রায়.pdf/৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

লেখালে, তাছা হইলে এরপশান্তৰিক্ত ও সৰ্ব্বলোকক্ষতি পৰিপূৰ্ণ হুই না কিন্তু বিশেষ বিবেচনা করিলে এ দোষ দেওয়া জাহাজ ন্যসকলে উচিত হয় না যেহেতু এয়ণ অশাস্ত্ৰ গু হুৰ্ব্বাক্য কহিতে বেতন পাইলের লোক কে প্ৰস্ত হইবেন । পঞ্জি ৪৯ পৃষ্ঠে ৪ পংক্তিতে লিখেন যে “লোক-সুখে সভা অভ্যন্ত অৱজ্ঞাচিত নিবি সৰ্ব্বজাই ব্ৰহ্মজ্ঞানের অনুষ্ঠানে অসক্ত ও বিরক্ত হয়—এতাদৃশ পাপিষ্ঠ নামো কৰ্ম্ম ও ব্ৰহ্ম হইতে ভ্ৰষ্ট ও অন্ত্যঙ্গের স্থায় ব্যক্তি সুখাসম্ভ হইয়া সৰ্ব্বদাই ব্ৰহ্মজ্ঞানের অনুষ্ঠানে অসক্ত ও বিরক্ত হয় সে পাপিষ্ঠ অ্যাজা হয়” । উত্তর, যে নাম হুইজেও অধম বরঞ্চ ভাক্ত কণীর তুল্য হয় অতএৰ ধৰ্ম্মসংস্থারকই বিবেচনা কল্প যে ব্যক্তি সুখাসক্ত হইয়া জানানুষ্ঠানে বিরক্ত হয় ইহা উদাহরণস্থল তিনি য়েন কি না । পুনরায় ওই পৃষ্ঠে লিখেন যে “ব্ৰহ্মজ্ঞানের প্রতি মৌখিক ঐতি মাত্ৰ এৰং কৰ্ম্মকাণ্ডের কণাৰ্থ আমি ব্ৰহ্মজ্ঞানী অামার কৰ্ম্মকাণ্ডে প্ৰয়োজন কি ইহা কহিয়া৷ লোক সকলকে প্ৰতারণা করেন” ইহার উত্তরে আমরা এই কহিৰ যে যে কোনো ব্যক্তি কেবল মৌখিক জ্ঞানাহুষ্ঠান জানায় অথচ এই অভিমান করে যে আমি ব্ৰহ্মজ্ঞানী হুই এবং এই স্থলে কৰ্ম্ম ত্যাগ করিয়া লোককে প্ৰতারণা করে সে ব্যক্তি ভাঞ্জানী বরঞ্চ ডাক্ত কণী হইতেও নরাধম হয়, সেইক্সপ যে কোনো ব্যক্তি জানায়ুষ্ঠানে অসম্ভ ও বিরক্ত হয় আর লোককে প্ৰভাৱণাৰ্থ কহে যে আমি সংকী অামার জ্ঞান সাধনে কি প্ৰয়োজন, কৰ্ম্ম দ্বারাই কৃতাৰ্থ হুইব সেও ভাক্ত কণীর মধ্যে অবশ্য গণিত হইবেক । বস্তুতঃ যে কোনো কারণে হউক জানাঙ্গুষ্ঠানে যাহার ধৈর্য হয় তাহার পর ভাগ্যহীন অন্য কে আছে । কেনশ্ৰুতিঃ । ইহ চেজবেীদখ সত্যমতি নচদিহাবেদীক্ষহী বিনষ্টি । ইহ জন্মে মনুষ যদি পূৰ্ব্বোত্ত প্ৰকায়ে অতীন্দ্ৰিয়রপে আত্মাকে জানেন তবে তাহার পুরুষাৰ্থ সিদ্ধ হয় আর যদি মাঙ্ক ইহ জন্মে আত্মাকে না জানো তবে তাহাঙ্গ মহান বিনাশ হয়। ফুলাৰ্ণৰে, স্বল্পভৈানবো স্থা জ্ঞানী চেঙ্গোঙ্গমায়াৎ । তখ, সোপানত মোক্ষষ্ঠ