পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গল্প আছে—একটি ছোট মেয়ে পশুশালা দেখতে এসেছিল। জিরাফের খাচাটার সামনে অনেকক্ষণ দাড়িয়ে তার পরে মুখ fFfāzų aề qzzi Ezz azt– I simply don’t believe it. খুব বেশি সমাদর পেলে আমারও ঠিক ঐ রকম মনের ভাবটা হয় । ভাবি, এ কখনো সম্ভব হতে পারে ? কিন্তু এবারে এখানকার মানুষের কাছ থেকে যে অভ্যর্থনা পেয়েছিলুম সেটা বিশ্বাস হল । ওরা সরল । ভাবলুম ওদের বোধ হয় বুদ্ধি কম, নইলে ভক্তি বেশি হবে কেন ? যাহোক, যখন কিছু বলবার ইচ্ছে হবে ( বয়স বেশি হলে বাচালতা বাড়ে ) তখন একদম শিলেট চাটগা আসাম প্রভৃতি প্রদেশে গিয়ে হাজির হব, এইরকম স্থির করেচি। তুমি যে লঙ্কাদ্বীপে গিয়েচ সে জায়গাটাও বোধ হয নেহাৎ মন্দ হবেনা—অগ্নিকাও করবার পক্ষে, তা আমি বলচিনে। ওরা বোধহয় অনেক খ্যাতনামাদের সম্পর্কে আসে নি, আর অনেক বক্তার অনেক বক্তৃতা শোনে নি, তাই ওদের মন তাজা আছে, কথার ভিতর দিকে যদি কোনো স্বাদ থাকে সেটা বোধহয় এখনো পায়— অতএব তুমি ওদের জন্তে কিছু কাজ করতে পারবে বলে আশা হয় । বিদেশের ধূলায় ওরা চাপা পড়ে গেছে, তুমি কোদাল হাতে ওদের বের করে তোল— ওরা নিজেদের নিজের আবিষ্কার করুক— ওদের মধ্যে কি লিপি লেখা ছিল, সেটা পডুক, তার মানে বোঝবার চেষ্টা করুক। তুমি ঐতিহাসিক,– ইতিহাসের সজীবক্ষেত্রে এদের দাড় করাও, বুঝিয়ে দাও ইতিহাসের

ግ¢