পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪৮১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৯৯৬ থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত ইলিনয়ে ছিলেন । এই সময়ে ইলিনয়ে তিনি ‘কসমোপলিটান’ ক্লাব গঠন করেন এবং এর সভাপতি হন । পরে যুক্তরাষ্ট্রের সব বিশ্ববিদ্যালয়েই এই রকম আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে থাকে । এদের পরস্পরের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার জন্য রথীন্দ্রনাথ ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ইণ্টারন্যাশনাল ক্লাবস গঠন করেন । সম্ভবত এরই স্বত্র ধরে ফেল্পস, ভারতবর্ষে রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত ব্রহ্মবিদ্যালয় সম্পর্কে কৌতুহলী হন এবং রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে যোগাযোগ করেন । ১৯২২ সালে ফেল্পস, ভারত ভ্রমণে এসে শাস্তিনিকেতনের ব্রহ্মবিদ্যালয় এবং শিলাইদহে রথীন্দ্রনাথের কৃষিফর্ম পরিদর্শন করেছিলেন। ফেল্পসকে লিখিত রবীন্দ্রনাথের পত্রের মুখ্যাংশ নিম্নে মুদ্রিত হল : “... I need not dwell at length on the evils of the resulting caste system. ... It has largely contributed to the freedom from narrowness and intolerence which distinguishes the Hindu religion and has enabled races with widely different culture and even antagonistic social and religious usages and ideals peaceably side by side—a phenomenon which cannot fail to astonish Europeans who, with comparatively less jarring elements have struggled for ages to establish peace and harmony among themselves. But this very absence of struggle, developing into a ready acquiescence in any position assigned by the social system, has crushed individual manhood and has accumstod us for centuries not only to submit to every form of domination, but sometimes actually to venerate the power that holds us down. The assignment of the business 80 o