পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বহু কাল পরে 'বৈকালী’ গ্রন্থাকারে পাঠকলভ্য হয়। “বৈকালী" সম্পর্কিত বিশদ বিবরণের জন্ত দ্রষ্টব্য গ্রন্থপরিচয়, বৈকালী (››ግ8 ) | পত্র ৭৯ ৷ এই পত্রে রবীন্দ্রনাথের যে ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে সেটি প্রবাসী, অশ্বিন ১৩৩৩-এ প্রকাশিত কবির ইতালী-ভ্রমণ সম্পর্কে সম্পাদকীয় মস্তব্যের প্রতিক্রিয়া । রবীন্দ্রনাথের জীবনে যে কয়েকটি ঘটনা বিতর্কের স্বষ্টি করেছে, ইতালী-ভ্রমণ তার অন্যতম । এজন্য এ বিষয়ে কিঞ্চিং বিস্তৃত বিবরণ দেওয়া হল । ১৯২৫ এর জাতুয়ারি মাসে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে প্রত্যাবর্তনের পথে রবীন্দ্রনাথ ইতালীতে অল্পদিনের জন্য উপস্থিত হয়েছিলেন। ১৯২৫ সালের জুলাই মাসে আবার তার ইতালী যা ওয়ার কথা হয় । কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জন্য তা হয় নি । ইতিমধ্যে অধ্যাপক কালে ফর্মিকির মধ্যস্থতায় তৎকালীন ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী বেনিটে মুসোলিনী বিশ্ব ভারতীকে বহু মূল্যবান ইতালীয়ান গ্রন্থ উপহার পাঠান । ফর্মিকি ও জিউসেপ্নে তুচ্চি নভেম্বর ১৯২৫-এ অধ্যাপক রূপে বিশ্ব ভারতীতে যোগদান করেন । পূর্ব প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবার জন্য মুসোলিনীর আমন্ত্রণে ১৯২৬ সালের মে মাসে রবীন্দ্রনাথ ইতালী ভ্রমণে যান, সঙ্গে থাকেন বিশ্বভারতীর কর্মসচিবদ্বয় প্রশাস্তচন্দ্র মহলানবিশ এবং রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথকে ইতালীতে প্রভূত সম্মান সহকারে আপ্যায়ন করা হয় । রবীন্দ্রনাথের অভ্যর্থনার বিবরণ ইতালীর বিভিন্ন কাগজে প্রকাশিত হয় এবং সেই সঙ্গে কবি মুসোলিনী সম্বন্ধে যে-সব প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেন তা যথোচিত গুরুত্ব সহকারে এইসব পত্রিকায় স্থান পায় । কিন্তু রবীন্দ্রনাথের ইতালী সফর এবং Qys