পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্রনাথকে এক পত্র দিয়েছিলেন । সম্ভবত এই পত্রই অভিপ্রেত। দ্র: নির্মলকুমারী মহলানবিশ, কবির সঙ্গে যুরোপে (১৩৭৬), পৃ ২১৫ । ‘সরলা যখন...দিয়েছি”— ভারতী পত্রিকার সম্পাদিক সরলা দেবী প্রবাসী সম্পর্কে অভিযোগ করেছিলেন যে তারা লেখকদের ‘সরস্বতীর বিনা পণের মহল হইতে ছুটাইয়া লক্ষ্মীর পণ্যশালায় বন্দী করিয়াছেন । এই অভিযোগে রবীন্দ্রনাথ ক্ষুন্ন হয়ে প্রবাসীর পক্ষ সমর্থন করে সবুজপত্র আশ্বিন ১৩৩৩-এ একটি দীর্ঘ পত্র প্রকাশ করেন । এই পত্রে তিনি প্রবাসীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উল্লেখ করেন এবং প্রবাসীর পূর্বাপর আমুকুল্যের জন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার কবে লেখেন ‘প্রবাসী সম্পাদক যদি সেদিন আমাকে অর্থমূল্য দিতে পেরে থাকেন.তাতে কেবল যে তার সুবিধা হয়েছে তা নয়, আমারও হয়েছে, এবং এই সুবিধা দেশের কাজে লাগাতে পেরেছি। ...কিন্তু অর্থই তো একমাত্র জাদুকুল্যের উপায় নয়। প্রবাসী-সম্পাদক সৰ্ব্বদা তার লেখার দ্বারা, নিজের দ্বারা, পরামর্শ দ্বারা, মমত্বের বহুবিধ পরিচয়ের দ্বারা বিশ্বভারতীর যথেষ্ট আহুকুল্য করেছেন। আমি নিশ্চিত জানি সেই আমুকুল্য দ্বারা তিনি আমার এই অতিভার-পীড়িত আয়ুকেই রক্ষা করবার চেষ্টা করেছেন।” “এমন কি ফর্মিকিও করেননি । ম্যাঞ্চেষ্টার গারডিয়ানে ফ্যাসিবাদ ও মুসোলিনী সম্পর্কিত রবীন্দ্রনাথের চিঠি প্রকাশিত হলে এর একটি উত্তর দেন ইতালীয় অধ্যাপক কালে ফমিকি । দ্র ম্যাঞ্চেষ্টার গারডিয়ান, ২৫ আগষ্ট, ১৯২৬ । রবীন্দ্রনাথের ইতালী ভ্রমণের বিশদ বিবরণের জন্ত স্রষ্টব্য— অবস্তীকুমার সান্তাল, রবীন্দ্রনাথের ইতালি সফর ও রম্য রলী, ●デ8