পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৪০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


38 ৩ ফেব্রুয়ারি ১৯২৮ কল্যাণীয়াসু তোমার চিঠিখানি পেয়ে খুসি হলুম। প্রত্যেক বীজ আপনার বিকাশের খাদ্য আপনার মধ্যেই ধরে রাখে— সেই খাদ্যটুকুর মধ্যেই তার ভাবীকালের প্রাণসঞ্চয় । উপযুক্ত ক্ষেত্র পেলেই সে অঙ্কুরিত হয়ে ওঠে । আমাদের আত্মার অমৃত অন্ন আত্মারই গভীর কেন্দ্রে নিহিত— আত্মসমাহিত শাস্তির মধ্যে তাকে পাওয়া যায়। এখন তুমি যে শান্তির মধ্যে মগ্ন হবার অবকাশ পেয়েচ সেই শান্তির গভীরতাতেই তুমি আপনার বাণী আপনি পাবে । মঙ্গলকৰ্ম্মের মধ্যেও এই শাস্তি পাওয়া যায়, কিন্তু কৰ্ম্মকে সম্পূর্ণ অহংমুক্ত করা বড় কঠিন । কৰ্ম্মশালার জালনা দরজা যত বড়ই হোক তবু তার মধ্যে বদ্ধতা থেকে যায় এইজন্যে কৰ্ম্মশালার বাইরে খোলা বাগানের দরকার হয়, যারা কৰ্ম্মসন্ন্যাসী কৰ্ম্মের চক্রবাত্যায় আত্মার বাণীকে হারিয়ে ফেলবার আশঙ্কা তাদের যথেষ্ট আছে —এইজন্যে তাদের পক্ষেও কৰ্ম্মের চারিদিকে বড় অবকাশকে প্রসারিত রাখা খুবই আবশ্যক— নইলে ভালো কৰ্ম্মও নেশা হয়ে উঠে অহংকে উগ্র ও আত্মাকে আবিষ্ট করে দেয়। কৰ্ম্মের সংসার থেকে তুমি ছুটি পেয়েচ এখন তুমি আদেশের জন্তে বাইরের দিকে তাকিয়ো না । অন্তরতম নিজের কাছে > ミや