পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভাববেন ? তিনি কি এই চিঠির, অামার এই পাগলামির জবাব দেবেন ? এও কি সম্ভব হবে ? কিন্তু তিনি জবাব দিলেন, চিঠি পেয়েই তিনি জবাব দিলেন । কি মিষ্টি তার সেই জবাব । শুনেছি তিনি নাকি চিঠি পেয়ে খুব খুশি হয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, "বড়ো সরল এই মেয়েটি।’ তার পর কবিকে আমি আরো চিঠি লিখেছিলাম এবং প্রতিবারই উত্তর পেয়েছিলাম খুবই শীঘ্র শীঘ্র । তার উত্তরে তার হাতের লেখা পত্র, সে যেন দেবতার আশীৰ্বাদী নির্মাল্যের মতোই আমার অতি যত্নের ধন । ** তার পর অসম্ভবও সম্ভব হয়েছিল, কবির সঙ্গে দেখা হয়েছিল এবং কেবল একবার নয় তিনবার অামি তার দেখা পেয়েছিলাম। সেসব স্মৃতি আজিও আমার মনের মধ্যে অক্ষয় হয়ে রয়েছে। আমার সেই সঞ্চিত মহামূল্য সম্পদ সেই পত্রগুলি যে কোনোদিন লোকের কাছে বাহির করব সে কল্পনা আমার ছিল না, কিন্তু ঘটনাচক্রে সেগুলি প্রকাশ করতে দিতে হয়েছে । সেগুলি দেশ-পত্রিকার কোনো একটি সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। কবির হাতের ঠিকানা লেখা খামটিও আমি প্রকাশ করতে দিয়েছিলাম । কবি, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ । তিনি যে বাংলাদেশে জন্মেছেন বাংলার এ কি কম সৌভাগ্য ! কিন্তু সে সৌভাগ্য অনুভব করবার ও সমস্ত জীবনযাপনে গ্রহণ করবার মতো অনুভূতি ও সাধনা আমাদের আছে কি ? আজ তার পুণ্য জন্মতিথিতে এই কথাই বার বার মনে হচ্ছে । র্তার রচনায় যে কি অমৃতের আস্বাদ ছিল, আমি তা লিখে বুঝাতে পারব না। অতি অল্প বয়সে আমি ‘রাজর্ষি’ পড়েছি আর তখন আমার ➢ ዓ ¢