পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পত্র ৫ । পৃ ১১ । ‘কন্যাকুইটি । পত্র ৬ । পৃ ১২ । বৰ্ত্তমান দুই কন্যা । জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা ও কনিষ্ঠ কন্য। মীরা । ইতিপূর্বে মধ্যম কন্যা রেণুকার মৃত্যু ( ১৯০৩ ) হয়। পত্র ৯ । পৃ ১৯ । মোহিত বাৰু= মোহিতচন্দ্র সেন । পত্র ১০ । পৃ ২১ ৷ ‘বোলপুরে বালক বিদ্যালয়ের সঙ্গে একটি বালিকা বিদ্যালয় খুলিয়াছি।’ ১৩১৫ (১৯০৮) সালের পূজাবকাশের পর অল্প কয়েকজন ছাত্রী লইয়া বালিকা-বিভাগ প্রবর্তিত হয়। এই প্রসঙ্গে শাস্তিনিকেতনের পূর্বতন অধ্যাপক মনোরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৩১ চৈত্র ১৩১৫ তারিখের পত্রে রবীন্দ্রনাথ লিখিতেছেন— বিদ্যালয়টি বেশ পূর্ণ হয়ে এসেছে ক্রমে এর পাশে একটি বালিকা বিদ্যালয়ের ছোট্ট চারা আপনিই গজিয়ে উঠেছে এবং হু হু করে সেটি বেড়ে ওঠবার মতলব করচে । অনেক দিন থেকে মনে ইচ্ছা ছিল কিন্তু ভয়ে এগইনি— ঠাকুর যখন আপনিই ঘরে এসেছেন পূজা না করে ত আর নিষ্কৃতি নেই। - এই বালিকা-বিভাগ এ সময়ে দীর্ঘস্থায়ী হয় নাই, দুই বৎসর চলিয়াছিল। পত্র ১৫ । পৃ ৩২ ৷ ২-৫ ছত্রে বর্ণিত অভিজ্ঞতা রবীন্দ্রনাথকে এরূপ বিদ্ধ করিয়াছিল যে দীর্ঘকাল পরেও ইহা তিনি বিবৃত করিয়াছেন ; ১৩৩৯ সালে শাস্তিনিকেতনে ৭ পৌষ উৎসবে তিনি প্রসঙ্গক্রমে এই বিষয়ের উল্লেখ করেন— আমি এক সময় পদ্মাতীরে নৌকোয় ছিলেম। একদিন আমার কানে এল, একজন বিদেশী রুগণ হয়ে শীতের মধ্যে তিন দিন নদীর ধারে পড়ে আছে। তখন কোনো একটা যোগ ছিল। সেই মুমূর্ষর ঠিক ১ মনোরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিত রবীন্দ্রনাথের পত্র-সংগ্রহ, স্মৃতি, পৃ ৭৬ ৷ › ግእ