পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভবানীপুর ১৭ এপ্রিল ه . هد* মাতঃ * ঈশ্বর যদি আমার মধ্যে আশীৰ্ব্বাদ করিবার যথার্থ শক্তি দিতেন তবে আমার আন্তরিক মঙ্গল কামনা তোমার জীবনকে এই মুহুর্তেই নবপ্রভাতের আলোকের হ্যায় স্পর্শ করিত। যে জীবন শাস্তির জন্য প্রার্থী, পরিপূর্ণতার জন্য ব্যাকুল, উপর হইতে তাহার প্রতি আশীৰ্ব্বাদ বর্ষণ করিতে পারি ঈশ্বর যদি কোনোদিন আমাকে এমন অধিকার দান করেন তবে আমি ধন্য হইব । আমিও যাত্রী— তীর্থ কতদূরে তাহা তীর্থের অধীশ্বরই জানেন, দুর্গম পথের জন্ত পাথেয় সঞ্চয় করিয়া আমাকে চলিতে হইবে,— আমারই কি আনন্দের সম্বল জমিয়াছে ? নববর্ষের দিনে আমি ঈশ্বরের কাছে এই কথাই জানাইয়াছি যে সুখে দুঃখে আমার জীবনকে লইয়া প্রতিদিনই তুমি ত মঙ্গলসঙ্গীত রচনা করিয়া চলিয়াছই— আমার প্রার্থনা কেবল এই যে তোমার সেই মঙ্গলে আমারও অন্তঃকরণ যেন যোগ দিয়া চলে— আমি যেন তোমার হাতের সমস্ত দানকেই মাথা পাতিয়া স্বীকার করিয়া লইতে পারি। ঈশ্বর না জানি আরো কি দাবী করিবেন সে কথা মনে করিতে ভয়ও হয়, সেটুকু তুৰ্ব্বলতা ছাড়িতে পারি নাই— কিন্তু তবু আমার মন যেন একান্তভাবে বলিতে পারে, আমার কাছে তোমার যত দাবী Ե