পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২০৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পত্র ১৫ । পৃ ১৫৬ ৷ ‘এমন কোনো একটি মন্ত্রকে মনের মধ্যে অভ্যাস করে নেবে যেটি স্মরণ হবামাত্র মন একমুহূৰ্ত্তে সেই সবচেয়ে বড় জায়গায় গিয়ে ঠেকবে।’ এই প্রসঙ্গে, শান্তিনিকেতনের প্রাক্তন অধ্যাপক শ্ৰীষতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়কে লিখিত এইসকল পত্র উল্লেখযোগ্য— আমি উপাসনকালে এবং অন্য সময়েও ‘পিতা নোহসি এবং ‘আসতো মা এই দুই মন্ত্র বারম্বার উচ্চারণ করিতে থাকি— করিতে করিতে যে পর্যন্ত আমার মন এই দুটি মন্ত্র সম্বন্ধে সজ্ঞান হইয়া না উঠে ততক্ষণ ছাড়ি না। শাস্তং শিবমদ্বৈতম এ মন্ত্রও অনেক সময় আমার বিশেষ উপকারে আসিয়াছে— কোনো সাংসারিক কারণে মন ক্ষুব্ধ হইলে বা কোনোপ্রকার ক্ষতি বা অনিষ্টের আশঙ্কায় মন উদ্বিগ্ন হইলে শাস্তং শিবমদ্বৈতম মন্ত্র জপ করিয়া একটি গভীর শাস্তি ও মঙ্গলের মধ্যে মন প্রবেশ করে। কখনো কখনো আমি গায়ত্রী মন্ত্রও ধ্যান করিয়া থাকি । •••ইতি ১৮ই পৌষ ১৩১৭ —প্রবাসী, মাঘ ১৩৪৮ ---মনটিকে অনন্তের ধারণায় নিবিষ্ট করে রাখতে পারলে আপনিই সমস্ত সহজ হয়ে যায়— মন্ত্রসাধন ছাড়া তার অন্য কোনো পথ আমি ত জানি নে। যখন একটু অবকাশ পাবে সত্যং জ্ঞানমনস্তং ব্রহ্ম— শাস্তম্ শিবমদ্বৈতং এই মন্ত্রটাকে মনের একেবারে তলা পর্যন্ত গ্রহণ করবার চেষ্টা কোরো– ঐ কথাগুলো যেন তোমার রক্তের সঙ্গে মিশে তোমার নাড়ির মধ্যে প্রবাহিত হতে থাকে। ইতি ৯ই ফাঙ্কন ১৩১৭ —প্রবাসী, মাঘ ১৩৪৮ বিভিন্ন ভাষণে এইসকল মন্ত্র ব্যাখ্যান করিয়াছেন— বিশেষভাবে দ্রষ্টব্য ধর্ম, ও শাস্তিনিকেতন ১-১৭ খণ্ড । Xbyግ