পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


હૈં শিলাইদা নদিয়া কল্যাণীয়াসু তোমার চিঠি ও সেই সঙ্গে ইন্দু তোমাকে যে দুইখানি পত্র লিখিয়াছে তাহ পাইলাম । এ পত্র হইতে ঠিক তাহার পরিচয় হয় না । তাহার বয়স অল্প, এবং তাহার অবস্থাও সঙ্কীর্ণ ; এমন স্থলে নিজের তুর্ভাগ্য সম্বন্ধে তাহার কল্পনা যে সৰ্ব্বদাই উত্তেজিত হইয়া থাকিবে ইহা স্বাভাবিক। বয়স হইলে আশা করি এটুকু বুঝিতে পারিবে যে, নিজেকে দুঃখী বলিয়া চিন্তা করিতে থাকিলে দুঃখের কালিম বাড়িয়াই উঠে । আমরা চিন্তা দ্বারা নিজেকে অনেক পরিমাণে স্মৃষ্টি করিয়া থাকি— আমাদের সেই স্বরচিত সৃষ্টি সকল সময়ে মঙ্গলকর হয় না। নিজের সুখ দুঃখ ও অবস্থার প্রতি সৰ্ব্বদাই করুণদৃষ্টি নিক্ষেপ করা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যজনক । উহাতে নিজেকে প্রশ্রয় দিয়া কেবলি তুৰ্ব্বল করিয়া তোলাই হয়। নিজেকে ভুলিবার সাধনাই জীবনের প্রধান সাধনা— এবং আমার যেটুকু নাই তাহার চেয়ে আমার যাহা আছে তাহা যে অনেক বেশি এই কথা স্বীকার করিতে পারাই সত্যকে স্বীকার করা । কিন্তু নিজের সম্বন্ধে এই দুর্বলতা নুনাধিক পরিমাণে আমাদের সকলেই আছে অতএব বালিকার সম্বন্ধে এই ক্রটি Y 8