পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিশ্চয়ই আমার সমস্ত শান্তিনিকেতনের লেখাগুলির ভিতরে কতকটা প্রচ্ছন্ন ও কতকটা প্রকাশ্য ভাবে ব্যক্ত হয়েছে । সে সমস্ত এই চিঠির মধ্যে ঠিকমত বিবৃত করা অসম্ভব। কারণ, তার অনেকগুলি দিক্‌ আছে। যারা বলেন প্রতিমাপূজার আবশ্যক আছে তারা নানা ভিন্ন দিক থেকে বলেন— কেউ বলেন আমাদের মন সীমাবদ্ধ এই জন্যে মাতুম মাত্রেরই পক্ষে প্রতিমাপূজা ছাড়া গতি নেই– কেউ বলেন যারা তুৰ্ব্বলচিত্ত, কনিষ্ঠ অধিকারী তাদেরই এই সোপান দিয়ে উত্তীর্ণ হওয়া ছাড়া উপায় নেই অতএব তাদের খাতিরে এ সমস্তকে সহ করে চলতে হয়— আবার আজকাল অনেকে বলেন, এই প্রতিমাপুজাই সকল উপাসনার শ্রেষ্ঠ– এইটেই হচ্চে আধ্যাত্মিকতার চরম । এরা যে যে হেতু দেখান তা নিয়ে যদি তর্ক করতে যাই তবে তাতে কেবল তাকিকতাই করা হবে । ধৰ্ম্মবিষয়ে তার্কিকতায় কোনো ফল হয় না বরঞ্চ অনিষ্ট হয়— অতএব সে থাক । আমি এইটুকু বলতে চাই যে, মানুষ যখন ভগবানকে চায় তখন ঠিক কি চায় তা যদি পরিষ্কার করে বোঝে তাহলে অনেক জঞ্জাল কেটে যায় । আমরা অনেক সময়ে যখন ঈশ্বরকে চাই বলি এবং বিশ্বাস করি তখন বস্তুত-অন্যান্য বিষয়েরই মত আর_ত্রকটা বিষয়কে চাই_ যুদের চাওয়ার ঝোক ঘোচে_নি তারা তাদের প্রার্থনার ফুদের মধ্যে ঈশ্বরের নামটাও রাখে। হয় ত খুব বড় করে রাখে। جیب حسنی مباحی حساسحیحری) =কিন্তু ঐ তালিকাটার भट्टां यज्ञ-यम-1— ૨ જ