পাতা:চিঠিপত্র (সপ্তম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


{ = (مه ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯১৫

  • শান্তিনিকেতন বোলপুর

কল্যাণীয়াসু মা, এখনো যাওয়া হয় নাই। বড় ক্লান্ত হইয়াছিলাম বলিয়া কিছুদিনের জন্য শিলাইদহে পদ্মায় নিভৃতে বিশ্রামের আশায় গিয়াছিলাম। আবার কাজের পাকে ও বিপাকে পড়িয়া কলিকাতার সভায় বক্তৃতা দিতে আসিয়াছিলাম। তার পরে আবার কাজের চক্রে এখানে টানিয়াছে। ছুটি পাইলে আর একবার ইচ্ছা আছে শিলাইদহে গিয়া কিছুকাল ছুটি ভোগ করিব । সঙ্গে আমার ছেলে ও বৌমা যাইবেন । যদি সম্ভবপর হয় একবার বৌমাকে দেখিয়া যাইতে পার। আমি কিছু বল লাভ করিলে তার পরে জাপানে যাইব । বছর দুই তিন প্রবাসে কাটাইবার সঙ্কল্প আছে । মা, পত্রের মধ্য দিয়া তোমার যেটুকু পরিচয় ও তোমার কাছ হইতে যে স্নিগ্ধ শ্রদ্ধাটুকু পাইয়াছি সে আমার বিশেষ সমাদরের ও আনন্দের সামগ্ৰী তাহা নিশ্চিত জানিয়ো । সংসারের পথে চলিবার সময় যাহা আমাদের গভীর প্রয়োজনের সামগ্ৰী তাহ আকারে ও পরিমাণে বৃহৎ নহে। তৃষ্ণার স্নিগ্ধ জল এতটুকু হইলেই চলে কিন্তু যখন রৌদ্র প্রখর হয় তখন তাও তুর্লভ– অথচ তপ্ত বালির অভাব নাই । এখানে আমার কাছে যে দুখানি বই আছে তাই পাঠাইলাম । N9)