পাতা:চিত্রাবলি - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অলঙ্কায় । ཏྲ་བ་ " করিতেছেন। শিশু-দুইটার মা মণ্ডিয়াছে বটে ; কিন্তু কমলার আশ্রয়ে আসিয়া, কমলার স্নেহ-যত্নে, মা-মরার শোক তাহার বড় একটা অনুভব করিক্তে পারে নাই। ফলতঃ, পরিচয় না পাইলে, লোকে হঠাৎ বুঝিতে পারে না,—ঐ দুটা সগোপের সন্তান, পরের সংসারে কি ভাবে প্রতিপালিত হইতেছে। যাহার এত দয়া--যাহার এত দিকে দৃষ্টি; সঞ্চয় করিয়া তিনি গছন গড়াইবেন কি প্রকারে ? কাজে কাজেই কমলা, দিন দিন আয়-বৃদ্ধি সত্ত্বেও গহনাগুলি গড়াইয়া লইতে পারেন নাই ! তাহার গহনাগুলি না গড়ানয়, দোয কাহারও নাই ; দোষযদুপতিরও নাই ! দোষ--কমলারও নাই ! “ত্বয়া হৃষীকেশ হৃদিস্থিতেন যথা নিযুক্তোহস্মি তথা করোমি!” দোষ কার? ভগবান যাহাকে যে কাৰ্য্য নিযুক্ত করিয়াছেন, সে তো সেই কাৰ্য্যই করিবে ? যে গহন গড়াইবার জন্য নিযুক্ত, সে গহনা গড়াইয়াই জীবনযাপন করুক ! যে অন্ত কার্য্যে-প্রাণিহিতন্ত্রতে নিযুক্ত, তন্ময় হইয়া—-আত্ম ভুলিয়া, সে ত্তে। তাছাই করিবে ! যত দিকে যুক্ত ব্যয়-বৃদ্ধিই হউক, যদুপতি কিন্তু এবার স্থির নিশ্চয় করিয়াছেন,—কমলার গহনাগুলি গড়াইয়া দিৰেন। বৈশাখ মাসে, গুড ফ্রাইড়ের’ ছুটতে তিনি বাড়া আসিয়াছিলেন। সেই সময় তাহার জ্যেষ্ঠ ভগিনী বিন্ধ্যবাসিনী তাছাকে বড়ই অমুযোগ করিয়াছিলেন ; বলিয়াছিলেন–“ভূমি এত্ত দিন এত 朗、 - الله శ్రీ