পাতা:চিত্রাবলি - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১৭৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উপসংহার। 严 অমলের প্রাণ কাপিয়া উঠিল। এ জীবনে সে বুঝি আর পিতার চরণ দর্শন করিতে পারিল না ! অনুশোচনার তীব্র ংশনে অমল অধীর হইয়া পড়িল । অমল ত্বরিত পদে উদ্ভাগু-ভাবে গঙ্গাতীর অভিমুখে অগ্রসর হইল । জীবন-প্রদীপ নিৰ্ব্বাপিত-প্রায় । আত্মীয়-স্বজন পাশ্বে বসিয়া নাম গুনাইতেছেন। এমন সময় অমলকে সঙ্গে লইয়া বিমল সেই গঙ্গার তীরে উপনীত হইল । জনৈক আত্মীয়-অস্তুরঙ্গ স্মৃতিরত্ন মহাশয়কে আহ্বান করিয়া কহিলেন,—“তোমার আমল এয়েছে যে ! একবার চেয়ে দেখ !" নিৰ্ব্বণোন্মুখ প্রদীপের শেষ শিখা জলিয়া উঠিল । স্মৃতিরত্ন মহাশয় চক্ষুরুন্মীলন করিয়া, অমলের মুখপানে ক্ষণকাল একদৃষ্টে চাহিয়া রছিলেন। ব্রাহ্মণের চক্ষু দিয়া দুরবিগলিত ধারা নির্গত হইতে লাগিল । অমলেরও বক্ষঃস্থল অশ্রুগ্নাবিত হইল । তাহার মনে হইতে লাগিল,—‘সে গিয়া একবার পিতার চরণ স্পর্শ করে ;–আর চরণ স্পর্শ করিয়৷ পিতার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে।’ কিন্তু সে অবসর আর মিলিল না । স্কৃতিরত্ন মহাশয় দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলিয়া কহিলেন,—“আমার বড় ক্ষোভ রহিল, পুত্র বৰ্ত্তমানে পুত্রের জলগণ্ডুষ আমার ভাগ্যে মিলিল না।” సీ. .أيه չԱյՊ