পাতা:জীবনীকোষ-ভারতীয় ঐতিহাসিক-দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৩৪০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গঙ্গাধর সেন ছিল । ঐ কাগজের অীয়ও আগ্রা কলেজ পাইতেছে । শাস্ত্রী মহাশয়ের দাম হইতে আগ্র কলেজ কর্তৃপক্ষ বৎসরে ২> • • • টাক পান । গঙ্গাধর সেন রায়, কবিরাজ –ভারত বিখ্যাত অীয়ুৰ্ব্বেদ চিকিৎসীব্রতী । তাহার পিতার নাম ভবানীপ্রসাদ রায় । ষণেtহর জিলার মাগুরা গ্রামের মু প্রসিদ্ধ বৈদ্যবংশে ১২০৫ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ( ১৭৯৮ খ্ৰীঃ জুলাই ) তিনি জন্মগ্রহণ করেন । বাল্যে কুলপুরোহিত মহাশয়ের নিকট র্তাহার শিক্ষা আরম্ভ হয় তৎপরে বিভিন্ন চতুষ্পাঠীতে ব্যাকরণ কাব্য, অলঙ্কার প্রভৃতি পঠ সমাপন করিয়া অষ্টাদশবর্ষ বয়সে সুপ্রসিদ্ধ কবিরাজ রামকান্ত সেনের নিকট আয়ুৰ্ব্বেদ অধ্যয়ন আরম্ভ করেন । পাঠে তাহার বিশেষ মনোধোগ ছিল এবং তিনি অতিশয় অ্যধবসায়ী ছিলেন । প্রত্যহ পাঠ্য পুথির দশ পৃষ্ঠা স্বহস্তে লিখিয়া অধ্যয়ন করিতেন । পাঠ সমাপন করিয়া প্রথমে তিনি পিতৃ সমীপে গমন করেন। ভবানীপ্রসাদ তখন নাটোরের রাজচিকিৎসক ছিলেন । কিছুকাল পরে পিতার পরামর্শে কলিকাতায় চিকিৎসা ব্যবসায় আরম্ভ করেন। কিন্তু স্বাস্থ্য অনুকুল না হওয়াতে মুর্শিদাবাদের সন্নিকটে সৈদংবাদ নামক স্থানে গমন করেন । সেই সময়ে মুর্শিদাবাদ সুচিকিৎসকের জীবনী-কোষ SNS)V3 অভাব না থাকিলেও গঙ্গাধর স্বীয় প্রতিভাবলে অল্প কালের মধ্যেই যশের অধিকারী হন । তথায় তিনি মহারাণী স্বর্ণময়ীর জমিদারীর তত্ত্ববধায়ক রাজীবলোচন রায়ের সহিত পরিচিত হন । রাজীবলোচন গঙ্গাধরের পণ্ডিত্যে প্রীত হইয়া একবার মহারাণী স্বর্ণময়ীর গুরুতর পীড়ীর চিকিৎসার ভার তাহার উপরই প্রদান করেন । স্বর্ণময়ী অীরোগ্য লাভ করিলে, গঙ্গাধর রাজসরকার হইতে বৃত্তি পাইতে আরম্ভ করেন । পরে অfর ও নানা স্থানে এমনকি একবার মূর্শিদাবাদের নবাব বাহাদুরের চিকিৎসা করিয়া যশের অধিকারী হন । তিনি একা ধীরে করিচিকিৎসক ( Physician ) ও শল্য চিকিৎসক ছিলেন । কিন্তু সহজে শল্য চিকিৎসা করিতে রাজী হইতেন না । একাধিকবার পাশ্চাত্য চিকিৎসাশাস্ত্র দাবসারীগণ গঙ্গাধরের অসামান্ত শারীর তত্ত্বজ্ঞানের পরিচয় পাইয়া বিন্মিত ও মুগ্ধ হইয়াছিলেন । প্রধানতঃ চিকিৎসাব্যবসায়ী হইলেও তিনি বিভিন্ন সংস্কৃত শাস্ত্রে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন । আয়ুৰ্ব্বেদ, তন্ত্র, জ্যোতিধ, স্মৃতি, ষড়দর্শন, ব্যাকরণ, নাটক ও কাবা, উপনিষদাদির ব্যাখ্যা প্রভৃতি বিভিন্ন প্রবারে প্রায় অশীতিখানি পুস্তক তিনি রচনা করেন । প্রভূত (Surgeon )