প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:নিষ্কৃতি নাটক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


डौिग्न मृश्न নিষ্কৃতি \ף כ গিরীশ । কেন নয় ? না দিলে কুঁড়ের মতো বসে থাকবে যে। হরিশ। কিন্তু এই আট হাজার টাকাই জলে গেল ধরে রাখুন। কী বল বৌঠান ? এই সেদিন চার হাজার টাকা জলে দিলে, আবার ব্যবসা করবার জন্য টাকা দিতে যাচ্ছেন ? গিরীশ । তা হলে তুমি কী করতে বল ? হরিশ। রমেশ ব্যবসা-বাণিজ্যের জানে কী ? আট হাজারই দিন আর আট লাখই দিন আটটা পয়সাও যে ও ফিরিয়ে আনতে পারবে না, এ আমি বাজী রেখে বলতে পারি। এই টাকাটা উপার্জন করে জমাতে কত সময় লাগে একবার ভেবে দেখুন দেখি । গিরীশ। ঠিক, ঠিক, ঠিক বলেছে হরিশ। ওকে টাকা দেওয়া মানেই ত জলে ফেলে দেওয়া । ও আবার কী একটা মানুষ ! হরিশ। তার চেয়ে আমি বলি কী রমেশ বরং একট চাকরী বাকরী জুটিয়ে নেবার চেষ্টা করুক। খুড়তুতো ভাই হিসাবে আমাদের বা করা উচিত ছিল—আমরা তা করেছি, এখন ওঁর যেমন ক্ষমতা তেমনিই করা উচিত। এই যে ছেলেদের পড়ানোর জন্তে মাসে মাসে আমাকে পচিশ টাকা করে দিতে হচ্ছে। সে কাজটাও তে৷ ওর দ্বারা হতে পারে। সেই টাকাটা সংসারে দিয়েও ত ও আমাদের কতকটা সাহায্য করতে পারে, কী বলে বৌঠান ? গিরীশ। ঠিক ঠিক। ঠিক কথা বলেছে হরিশ, কাঠ বেড়ালী দিয়ে রামচন্দ্র সাগর বেঁধে ছিলেন, দেখছ বড়বে—হরিশ ঠিক ধরেছে। আমি বরাবর দেখেছি কিনা ছেলেবেলা থেকেই ওর বুদ্ধিটা ভারি প্রখর। ভবিষ্কং ও যতটা ভেবে দেখতে পারে, এমন আর কেউ পারে না। আমি তো আর একটু হলেই এতগুলো টাকা নষ্ট করে ফেলেছিলাম আর কী কাল থেকে রমেশ ছেলেদের পড়াতে জারঞ্চ