প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:নিষ্কৃতি নাটক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৭০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপ্তম দৃশু নিষ্কৃতি Seు ছিলাম, মেজবে, না হয় অবুঝ, কিন্তু তুই তো অবুঝ নোস। তোকে ত আমি এতটুকু এনে মানুষ করেছি। তোর উপর বিশ্বাস করে আমি যে সৰ্ব্বস্ব ছেড়ে দিয়েছি, সে কেন ? তোর উপর জোর আছে বলেই না ? হর। সে তো ঠিক কথা। সিদ্ধে। কিন্তু তুই সেই কথাটাকে ধরে বসে থাকলি ! আমার মনের কথাটা বুঝতে পারলি না ? যাক, আমি কিছু বলতে চাই না, ধৰ্ম্ম আছেন, ভগবান আছেন, তিনি এর বিচার করবেন। হর। ছোট বাবুকে তাই তো বলছিলাম বড়মা ! যে সংসারে থাকৃতে গেলে, এ রকম তো হয়েই থাকে। তা আমার কথা তো আর শুনলেন না । সিদ্ধে। তুই বুঝ মান, তোকে আর কি বলব বাব, সঙ্গে যখন যাচ্ছিল; দেখিস্—ওদের যাতে কোন অসুবিধা বা কষ্ট না হয়। হর। সে আর বলতে ! দেখবার জন্তেই তো যাচ্ছি বড় মা । সিদ্ধে। পটুলাটা সন্ধ্যেবেলা না থেয়েই ঘুমিয়ে পড়ে ; তুলে না খাওয়ালে —খাওয়াই হয় না। আবার কানাইট অধি-পেটা খেয়ে উঠে পড়ে ! হর । ওর জন্ত তুমি কিছু ভেবনা বড় মা, আমি সব দেখবো। যাই— গাড়ী এসে গিয়েছে—মোটঘাটগুলো তুলে দিই গে— সিদ্ধে । ছোটবোঁ বুঝি ছেলে দুটোকে নিয়ে গাড়ীতে গিয়ে উঠেছে ? হর । না, তিনি তো আপনাকে পেয়াম করতে এই দিকেই গেলেন— হরলাল মোট তুলিবার উদ্যোগ কৰিল । সিদ্ধেশ্বরী বলিলেন । সিদ্ধে। আর পেন্নামে কাজ নেই। সকলের বড় হয়ে, আজ আমি সকলের ছোট হয়ে আছি । হরলাল ইতিমধ্যে মোট লইয়া চলিয় গেল। অপর দিক হইতে পটল ও কানাইকে