প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:নিষ্কৃতি নাটক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


գե- নিস্কৃতি তৃতীয় অঙ্ক সিদ্ধে। বল কি মেজ ঠাকুরপো ! ছোট ঠাকুরপো তোমাদের নামে মাম্লা করেছে ? হরিশ। হ্যা। দেওয়ানী ত আছেই—উপরন্তু গোটা দুই ফৌজদারীও চলছে। সিদ্ধে । ( সবিস্ময়ে ) বল কি ! হরিশ। হ্যা। দাদাকে ভালমানুষ পেমে, ৪ যা ইচ্ছে তাই আরম্ভ করেছে। তাই মামলা মোকদ্দমা চালানোর ভার আমি নিজের হাতে নিয়েছি । সিদ্ধে। কিন্তু আমার যে কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছে না মেজ ঠাকুরপো ! সে এত বেইমানী করতে সাহস করলে কী করে ? এখনও যে চন্দ্র সুর্য্য উঠছে— নয়ন। সে ত উঠছেই, আর ছোট দেওরের তোমরা কী না করেছ? খাইয়ে পরিয়ে মাতুয করেছ, লেখাপড় শিখিয়েছ, হাজার হাজার টাকা ব্যবসা করতে দিয়েছ। ব্যবসা করার নাম করে তখন ত আর ব্যবসা করেনি—টাকাগুলো জমিয়ে রেখেছিলো। এখন সেই টাকার জোরে মামলা লড়ছে— সিদ্ধে । তা মামলা কেন ? হরিশ। দেখলুম, দেশের বিষয়ই বিষয় । আমাদের অবৰ্ত্তমানে, আমাদের মণি হরি বিপিন এরা এককাঠা জায়গা-জমি ত পাবেই না, এমন কি দেশের বাড়ীতে পৰ্য্যস্ত ঢুকতে পাবে না। দেশে যা কিছু আছে—সে সমস্ত সেই ত দখল করে আছে । থাজনাপত্র আদায় কচ্ছে, খাচ্ছেদাচ্ছে একটা পয়সা দেবার নাম করে না। বিষয় যা কিছু সে ত দাদাই করেছেন অথচ সে আজ দাদার চিঠির জবাব পৰ্য্যস্ত দেয় না—এমনি নেমকৃহারাম। আমারও প্রতিজ্ঞা! ওকে আমি বাড়ী থেকে বার করে দিয়ে তবে ছাড়ব ।