প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:নিষ্কৃতি নাটক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চতুর্থ দৃপ্ত নিষ্কৃতি y: ब्रtभर्ण cमांकनभांब्र ख***ॉक नईग्ना १irग्न थैौtब्र ठांशग्न পশ্চাতে আসিয়া দাড়াইল । শৈলজা তাহাকেদেখিতে পাইলেনুমা । যথারীতি ঠাকুরকে খলিতে লাগিঞ্জে আমার ছেলেরা রোগে ভুগছে, পয়সার অভাবে পত্তি পাচ্ছে না, চিকিৎসা হচ্ছে না। আমার স্বামী দুশ্চিন্তায় কঙ্কালসার হয়ে গেছেন । এবার আমাকে নিস্কৃতি দাও ঠাকুর-নিষ্কৃতি দাও। রমেশ । শৈল ! শৈলজা তাড়াতাড়ি চোখের জল মুছিয়া বালী জোড়াটি হাতে লইয়া উঠিল । শৈল। তুমি কী সদরে যাবার জন্ত প্রস্তুত হয়ে এসেছে ? রমেশ । হ্যা ! কিন্তু মামলা লড়ার জন্য আজ আবু সদরে যাব কিন? ভাবছি। এক তরফা হয়ে যায় যাক। মামলা মোৰঙ্গমায় আর. কাজ নেই শৈল । শৈল। সে কি ! তুমি মিথ্যের বিরুদ্ধে লড়ছে, তুমি যদি মিথ্যেকে মেনে নাও, তাহলে বুঝবে, সত্যের জন্ত লড়াই করার মত তোমার শক্তি নেই বলেই—মিথ্যেকে তুমি মেনে নিচ্ছ। রমেশ । তা নয় শৈল । এতদিন মেজদার মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে আমি লড়াই করে এসেছি, ছেলের অসুখ, তোমার গয়ন, সংসারেক্স অনটন, কোন দিকেই আমি ক্ষেপ করিনি। কিন্তু আজ তোমাৰু নিষ্কৃতি পাওয়ার প্রার্থনা আমার মনকে দমিয়ে দিয়েছে। কাজ নেই শৈল । আমরা বাড়ী ঘর ছেড়ে গাছতলায় থাকব, মোট বয়ে থাবো। তবু জেদ করে আর মামলা লড়ব না। শৈল । ( বালা দু’গাছি রমেশকে দিয়া ) এই শেষ সম্বল দিয়ে, শেষ চেষ্টা তোমাকে করতেই হযে। যাত্রা করে যখন বেরিয়েছে—পেছুলে চলবে না—এই নাও ।