প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:পণ্ডিতমশাই-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/১০৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


懿, চতুর্দশ পরিচ্ছেদ 盤 o সে কলিকাতার কোন বিখ্যাত কল-কারখানার ফারমে পত্র লিখিয়াছিল, কোম্পানী লোক পাঠাইয়াছিলেন, জননীর মৃত্যুর দিন সকালে তাহারই সহিত বৃন্দাবন কথাবার্তা ও চুক্তিপত্র সম্পূর্ণ কুরিতেছিল। বেল প্রায় দশটা দাসী ত্রস্ত ব্যস্ত হইয়া বাহিরে আসিয়া কছিল, দাদাবাবু, এত বেলা ময় গেল, মা কেন দোর খুলচেন না 7 বৃন্দঘন শঙ্কায় পরিপূর্ণ হইয়া প্রশ্ন করিল, মা কি এখনো শুয়ে আছেন ? হা দাদা, ভেতর থেকে বন্ধ, ডেকেও সাড়া পাচ্চি নে । বৃন্দাবন ব্যাকুল হইয়া ছুটয় আসিয়া কপাটে পুনঃ পুন: করাঘাত করিয়া ডাকিল, ওম!—মাগো ! কেহ সাড়া দিল না। বাড়ি-শুদ্ধ সকলে মিলিয়া চেচাইতে লাগিল, তথাপি ভিতর হইতে শব্দমাত্র আসিল না। তখন লোহার সাবলের চাড় দিয়া রুদ্ধদ্বার মুক্ত করিয়া ফেলামাত্ৰই, ভিতর হইতে একটা ভয়ঙ্কর দুর্গন্ধ, যেন মুখের উপর সজোরে ধাঙ্ক মারিয়া সকলকে বিমুখ করিয়া ফেলিল। সে ধাক্কা বৃন্দাবন মুহূৰ্ত্তের মধ্যে সাম্‌লাইয়া লইয়া মুখ ফিরাইয়া ভিতরে চাহিল । . শয্যা শূন্ত । মা মাটিতে লুটাইতেছেন—মৃত্যু আসন্ন প্রায় । ঘরময় বিস্তুচিকর ভীষণ আক্রমণের সমস্ত চিহ্ন বিদ্যমান। যতক্ষণ তাহার উঠবার শক্তি ছিল, উঠিয়া বাহিরে আসিয়াছিলেন, অবশেষে অশক্ত, অসহায়, মেঝের পড়িয়া আর উঠতে পারেন নাই। জীবনে কখনও কাহাকে বিন্দুমাত্র শে দিতে চাহিতেন না, তাই মৃত্যুর কবলে পড়িয়াও অত রাত্রে ডাকা ঢাকি করিয়! কাহারও ঘুম ভাঙাইতে লজ্জাবোধ করিয়াছিলেন । সারারাত্র ধরিা উগের কি ব্যাপার ঘটয়ছে, তাহা কাহাকেও বলিবার অপেক্ষ রহিল না ; মাতার এমন অক্টৰ্ম্মাৎ, এরূপ