প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:পণ্ডিতমশাই-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/১১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চতুর্দশ পরিচ্ছেদ >>も বৃন্দাবন বিহবল দৃষ্টিতে চাহিয়া রহিল, গোপাল ভরসা দিয়া পুনরায় কহিলেন, ভয় নেই ছোকরা, যাও দেরি করে না। আর দেখ বাপু, আমার টাকার কথাটা সেখানে বলে কায নেই—যাও ছুটে যাও। বৃন্দাবন উর্দ্ধশ্বাসে কানিতে কঁাদিতে তারিণীর শ্রীচরণে আসিয়া পড়িল । - তারিণী লাথি মারিয়া পা ছাড়াইয়া লইয়া পিশাচের হাসি হাসিয়া কহিলেন, সন্ধো-মাঙ্গিক না করে জলগ্রহণ করি নে। কেমন, ফলল কি না ! ' নিৰ্ব্বংশ হলি কি না ! - বৃন্দাবনের কান্না শুনিয়া তারিণীর স্ত্রী ছুটিয়া আসিয়া নিজেও কাদিয়া ফেলিয়া স্বামীকে বলিলেন, ছি ছি, এমন অধৰ্ম্মের কায ক’রে না। বা হবার হয়েচে—আহ| শিশু, নাবালক—বলে দাও গোপালকে ওষুধ দিক্ । তারিণী খিচাইয়া উঠিল—তুই থামৃ মী—পুরুষমহযের কথায় কথা ক’স নে । তিনি থতমত খাইয়া বৃন্দাবনকে বলিলেন, আমি আশীৰ্ব্বাদ কচ্চি বাব; তোমার ছেলে ভাল হয়ে যাবে, বলিয়া চোখ মুছিতে মুছতে ভিতরে লয় গেলেন। - , বৃন্দাবন পাগলের মত কাতরোক্তি করিতে লাগিল, তারিণীর হাতে পায়ে ধরিতে লাগিল, ন—তবু না। এমন সময় শাস্ত্রজ্ঞ ঘোষালমশায় পাশের রাড়ি হইতে খড়ম পায়ে দিয়া খটু খট্‌ করিয়া আসিয়া উপস্থিত হইলেন। সমস্ত শুনিয়া হৃষ্টচিত্তে বললেন, শাস্ত্রে মাছে, কুকুরকে প্রশ্রয় দিলে মাথায় ওঠে । ছোটলোককে শাসন না করলে সমাজ উচ্ছন্ন যায়। এমনি করেই কলিকালে ধৰ্ম্মকৰ্ম্ম, ব্রাহ্মণের সম্মান লোপ পুচ্চে—কেমন হে তারিণী, সে দিন বলি নি তোমাকে, বেন্দী বেষ্টিমের ভারি বাড় বেড়েচে । যখন ও স্বামার কথা bア