প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:পণ্ডিতমশাই-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ 3 সমস্তই জানি বেী, কিন্তু আমি সিন্ধুর নোয় পরে থাকলেই ত লোকে শুনবে না। কে আমার স্বামী ? কে তার সাক্ষী ? তিনিই বা আমাকে শুধু শুধু ঘরে নেবেন কেন ? ব্ৰজেশ্বর বিস্ময়ে অবাক হইয়া গিয়া বলিল, সে কি কথা ঠাকুরঝি এক্স-চেয়ে বেশি প্রমাণ কবে কোন জিনিসের হয়ে থাকে ? তুমি কি কিছুই শোন নি, ঐ কথা নিয়ে কি কাণ্ড নজ্যাঠার সঙ্গে এই বাড়িতেই হয়ে গেল। একটুখানি চুপ করিয়া পরক্ষণেই বলিয়া উঠিল, কেন, তোমার দাদা ত সমস্তই জানেন, তিনি বলেন নি ? আমি মনে করেচি, তুমি সমস্তই জেনে শুনেই এখানে এসেচ, তাই পাছে রাগ কর, মনে দুঃখ পাও, সেই জন্তে কোন কথা বলি নি, চুপ করেই আছি। বরং ভূমি এসেচ বলে প্রথম দিন তোমার উপর আমার রাগ পর্য্যন্ত হয়েছিল । কুসুম উদ্বেগে অধীর হইয়া বলিল, আমি কিছু শুনি নি বেী, কি হয়েছিল,প্ল’ jo রী নিশ্বাস ফেলিয়া বলিল, বেশ । যেমন ভাই, তেমনি বোন। ঠাকুরজামায়ের সঙ্গে নন্দজ্যাঠার মেয়ের যখন সম্বন্ধ হয়, তখন তোমরা পশ্চিমে ছিলে, তখন তোমার দাদাই অত হাঙ্গামা বাধালে, আর শেষে সে-ই চুপ করে আছে! আমার শাশুড়ীর কথা, তোমার কথা, ওঁদের কথা, সমস্তই ওঠে—তখন নন্দজ্যাঠা অস্বীকার করেন, পাছে তার মেয়ের সম্বন্ধ ভেঙে যায়। তার পরে ঠাকুরবাড়ির বড়বাবাজীকে ডেকে আনা হয়, তিনি মীমাংসা করে দেন, সমস্ত মিথ্যে । কারণ একে ত তাকে না জ নিয়ে, তার অনুমতি না নিয়ে আমাদের সমাজে এ সকল কায হতেই পারে না, তা ছাড়া তিনি নন্দজ্যাঠাকে হুকুম দেন, যে এ কাষ করয়েছিল, তাকে হাঞ্জিশ্ব করিয়ে দিতে । তখনই তাকে স্বীকার করতে হয়, কষ্ঠিবদলের কথা হয়েছিল মাত্র, কিন্তু হয় নি। ●