পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


R с পাল ও বর্জিনিয়া । একান্ত ক্লান্ত হইয়া গৃহে আসি, তখন তোমার বদনমুপাকর দর্শনে আমার চিত্ত-চকোর এককালে পরমানন্দে চরিভার্থ এবং আমার সকল শ্রান্তি শান্তি প্রাপ্ত হয়। বজিনিয়ে ! আরো এক আশ্চৰ্য্য কথা বলি, শ্রবণ কর । যখন আমি পৰ্ব্বতশিখরে থাকিয়া তোমাকে নীচে পুষ্পোদ্যানে অবস্থিতি করিতে দেখি, তখন তোমার মুখখানি যেন অবিকল একটি মুরভি গোলাৰ কুমুমের কোরকের ন্যায় বোধ হয় । আর শুন ভগিনি ! সকলে কহিয়া থাকে, যে শাবকের প্রতি ধাবমান হইবার সময়ে, তিক্তিরি পক্ষিণীর মন্দগতি অতি সুদৃশ্য ও কমনীয় হয়, কিন্তু তোমার গৃহাভিমুখে গমন করিবার সময়ে যে প্রকার মন্দগতি ও সাতিশয় শোভা প্রকাশ পায় তাহ দেখিলে তাহারা কদাচ তেমন বোধ করিতে পারে না। আর যৎকালে ভূমি চলিয়া যাইতেই তরুগণে ব্যবহিত হও, তখন छूमि কোথায় আছ এবং কি করিতেছ, তাহ অবগত হইবার জন্য তোমাকে অার অবলোকন করিবার আবিশ্যকতা থাকে না। কেননা তুমি যে পথদিয়া চলিয়া যাও, বোধ হয়, তথাকার শূন্যভাগে যেন কিছু অনিৰ্ব্বচনীয় পদার্থই রহিয়া যায় ; কিন্তু সে যে কি বস্তু আমি তাহা বলিতে পারি না। এবং যেখানে ঘাসের উপরি বসিয়া থাক, সেই স্থানটী দেখিলেও তৎক্ষণাৎ তোমার মনোহর রূপলাবণ্য আমার মনে উদ্বুদ্ধ হইতে থাকে । পরে তোমার নিকটে উপস্থিত হইলেই আমার জ্ঞানেন্দ্রিয় সকল সন্তোষায়ুতের অভিষেকে এককালে সৰ্ব্বাবয়ব-সম্পন্ন হইয় উঠে । তোমার ইন্দীবর তুল্য