পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


S < * পাল ও বর্জিনিয়া । অনন্তর পালের হস্ত হইতে সেই ছবিখানি প্রাপ্তিমাত্র বজিনিয়ার আর আহ্নাদের সীমা পরিশেষ রছিল না । ইহাতে সে তৎক্ষণাৎ পালকে সম্বোধন করিয়া কহিতে লাগিল “দাদা ! যাবৎ আমি বাচিয়া থাকিব তাবৎ ইহা অাপন ছাড়া করিব না। আমি জানি এই ছবিখানি তোমার সাতিশয় প্রিয় বস্তু, কিন্তু তুমি আমাকে ইহা দান করিলে। এমন অমূল্য নিধি হাতে পাইয়া কি আমি জীবন থাকিতে বিস্মৃত হইতে পারিব ? পাল বর্জিনিয়ার তাদৃশ প্রণয়ালাপে মুগ্ধপ্রায় হইয়া বাহুলতা প্রসারণপুৰ্ব্বক তাহীকে আলিঙ্গন করিতে উদ্যত হইব মাত্র, বর্জিনিয়া কৌশলক্রমে তাহার নিকট হইতে অপসৃত হইয়া অতিশয় দ্রুতবেগে কুটরাভিমুখে প্রস্থান করিল। নিরুপায় পাল এককালে বিষন্ন হইয়া যেখানকার সেইখানেই দণ্ডায়মান রহিল । এতাদৃশ ঘটনার এক দিন পরে একদা বিৰি দিলাতুর এবং মার গ্রেট উভয়ে একত্রে সমাসীন আছেন এমত সময়ে মার গ্রেট তাহাকে কহিতে লাগিলেন “ভাল ভগিনি ! আইস না কেন আমরা পাল ও বজ্জিনিয়াকে পরিণয়পাশে বদ্ধ করিয়া ইহাদের পরস্পরের প্রণয় দৃঢ়ীভূত করি। ইহাদের পরস্পর অত্যন্ত সৌহাৰ্দ্দ আছে, কিন্তু প্রণয় কাহাকে বলে তাহা জানে না । পালকে সমর্থ হইয় আপন মুখে এ বিষয় ব্যক্ত করাইতে আমাদের আর বিলম্ব সহে না। কত দিনের পরে তাহার এতাদৃশ বিষয় ব্যক্ত করিবার ক্ষমতা জন্মিবেক তাহাও বলা দুর্ঘট ।