পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১২০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । У с. 29 হইব না। দৃঢ়বাক্যে কহিতেছি আমিত কদাচ ভারতবর্ষে বাণিজ্য করিতে যাইব না। অগুরা যাবজ্জীবন সকলেই এই স্থানে পরিশ্রম করিয়া দিনপাত করিব । আমাদের মধ্যে পরস্পর ঐক্য থাকিলে অপ্রতুল হইৰার ৰিষয় কি ? । ভগিনী বৰ্জিনিয়া কিছু কথা কহিতেছেন না বটে, কিন্তু সৰ্ব্বাপেক্ষ তাহার মনঃ আনন্দিত আছে । এবং তাহ পুৰ্ব্বের মত প্রসঙ্গও দেখিতেছি । তাহার মুখেই আমাদের সকল মুখ ৷ ” পরদিন প্রাতঃকালে স্থৰ্য্যোদয় হইলে নিয়মিত উপাসনার পর, প্রাতরাশ করিতে বসিতেছে এমত সময়ে দমিঙ্গ তাহাদের নিকটে উপস্থিত হইয়া নিবেদন করিল,“এক ব্যক্তি ভদ্রলোক অশ্বারোহণ পুৰ্ব্বক আমাদের উদ্যানের নিকট আসিয়া উপস্থিত হইয়াছেন, উাহার সমভিব্যাহারে ছুই জন অস্ত্ৰধারী অপর লোকও অাছে " । দমিজ এই সকল কথা বলিতেছে এমত সময়ে সেই ব্যক্তি তাহাদের কুটারমধ্যে প্রবেশ করিলেন । শাসনাধিপতি দিলাৰৰ্দ্দয়ই আসিয়া উপস্থিত হইলেন । দেখিয়া সকলেই সমস্তুমে গাত্রোথান করিল। তিনি তখন গুহমধ্যে প্রবেশ করিয়া দেখিলেন যে তাহারণ একত্রে বসিয়া ভোজনের উপক্রম করিতেছে । তাই াদের প্রাতরাশ সময়ে এই উপদ্বীপের প্রথানুসারে কেবল অল্প ব্যঞ্জন ও কাফি এইমাত্র ,প্রস্তুত হইত, কিন্তু ঐ সকল দ্রব্য ৰiজনিয়ার স্বহস্তে প্রস্তুত করা । স্বিল্প আলু এবং ডাৰ নারিকেল প্রাতরাশ সময়েই ব্যবহৃত হইত। জাহাদের ভোজনপাত্র বিশিষ্টপ্রকার ছিল o o