পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১২৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । ১ ১৩ দিলাবৰ্দ্দন ই সমাদরপূৰ্ব্বক অনুনীত ও অভার্থিত হইয়া বিবি দিলাতুরের নিমন্ত্রণ স্বীকার করিলেন এবং তৎপাশ্বে আসন পরিগ্রহ পূৰ্ব্বক তত্ৰত্য নিবাসিগণের প্রথানুরূপ অন্ন ব্যঞ্জনাদি ভোজনে যৎপরোনাস্তি পরিতৃপ্ত হইলেন । বিশেষতঃ সেই পরিবারদ্বয়ের পরস্পর অকপট প্রণয়, সংসারধৰ্ম্মের বিবিধ প্রকার উপস্কার-নিচয়ের রচনাপরিপাটী এবং সেই দাস দাসীদের নিরতিশয় প্রভূপরায়ণতা নয়নগোচর করিয়া ভঁাহার আর তৎকালীন পরিতোষের ইয়ত্তা রহিল না । ইহাতে তিনি তখন মুক্তকণ্ঠে কহিয়া উঠিলেন “আমি আজি এখানে আসিয়া কি অপরূপ দেখিলাম, এখানকার আসন, বসন, ভূষণ প্রভূতি যাহা কিছু আমার নেত্র-পথে পতিত হইল, সকলি যৎসামান্য ও গ্রাম্য বটে, কিন্তু তোমাদের আকার ধীর ও মন প্রসন্ন কি প্রকারে হইল তাহা কিছুই ভাবিয়া স্থির করিতে পারিতেছি না । শাসনাধিপের প্রমুখtৎ এতাদৃশ সম্মানের বাক্য শ্রবণ করিয়া পাল র্তাহাকে কহিল “আপনাকে যে বড় ভাল মানুষ দেখিতেছি, বাসন হয় আপনার সহিত বন্ধুত্ব করি” শাসনাধিপতির পক্ষে ইহা অতি সামান্য ধন্যবাদ হইলেও র্তাহাকে তখন তাহাতেই পরিতুষ্ট হইতে হইল । তখন তিনি স্বহস্তে পালের হস্ত ধারণ করিয়া কহিতে লাগিলেন “ ভাল! আমিও স্বীকার করিতেছি, ভূমি বন্ধুভাবে যে কৰ্ম্ম অবলম্বন করিতে বাসনা করিবে, এবং তৎসমাধানে সমর্থ হইবে, আমি তাহারই ভার তোমার হস্তে সমর্পণ করিব । ”