পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


– পাল ও বর্জিনিয়া। טא כי כי হইবেক । আমি যখনই এ সকল ভাবন করি, তখন আমার হৃৎকম্প হইতে থাকে” । বজিনিয়া উত্তর कद्विज ** भl यांभि दिलकs, छांनि, दिथांड श्रtभां८भद्र সকলকে অনবরতই পরিশ্রম করিতে পাঠাইয়াছেন । আর তিনি আমাকে কৰ্ম্মকার্য্য শিক্ষা দিবার জন্য তোমার সন্তান করিয়া দিয়াছেন । এজন্য আমি তাহাকে প্রতিদিন শত ২ বার ধন্যবাদ প্রদান করিয়া থাকি । আমার মনেই নিশ্চয় প্রতীতি আছে, কদাচ তিনি আমাদের সঙ্গছাড়া নহেন, এবং ভবিষ্যতেও আমাদিগকে বিস্মৃত হইবেন না। তিনি অন্তর্যামী, বিশ্বস্তুর, হতভাগ্যদিগের উপরি র্তাহার রূপাদৃষ্টির কিঞ্চিমাত্রও ক্রটি নাই। মা! তুমিইত আমাকে সৰ্ব্বদ এ সকল কথা কহিয়া উপদেশ দিয়া থাক । ” বিবি দিলাতুর বর্জিনিয়ার প্রমুখাৎ এই উত্তর শুনিয়া ব্যাকুলভাবে কহিতে লাগিলেন “বংসে ! আমি কি তোমাকে সহজে নয়নের অন্তরাল করিতে চাহিতছি, উত্তরকালে পালের সহিত বিবাহ দিয়া কিসে তামার মুখে কালযাপন হইবেক তাহাই অন্বেষণ কর। আমার উদ্দেশ্য। এইক্ষণে ভূমি পালকে সহোদরের ন্যায় ৰোধ করিয়া দাদ২ বলিয়। ডাকিতেছ, কিন্তু বস্তুতঃ কিছু সে তোমার সোদর নহে। তাহার সৌভাগ্য কেবল তোমারই অধীন হইতেছে । কুমারীদিগের স্বভাৰ এই যে যদি কেহ ভাবের গতিকে কাহারে প্রতি মন সমর্পণ করে, তবে সে মনেই করে আমার এ প্রণয় কাহারো জ্ঞাতসার হইল না, কিন্তু সে তাতার ভ্ৰম । তৎকালীন তাহার বুদ্ধি