পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


〉ミや পাল ও বর্জিনিয়া । সম্বোধন করিয়া কহিতেছে “ প্রিয়তমে বজিনিয়ে ! আমি পরম্পরায় শুনিতে পাইতেছি তুমি নাকি দিন দুই তিনের মধ্যে আমাদিগকে পরিত্যাগ করিয়া যাইবে ? পুৰ্ব্বে সমুদ্রের নাম শুনিলে তোমার ভয় হইত, তাহাদিয়া গমনাগমন করা তোমার কখনই রুচি ছিল না, এক্ষণে তেমন বিপদসঙ্কুল সমুদ্রগমনে তুমি কিপ্রকারে নির্ভয় হইলে ?” এই কথা শ্রবণ করিয়া বর্জিনিয়া উত্তর করিল “ভাই পাল! আমার ইচ্ছা হইলে কি হইবে বল দেখি । অামারত এই স্থলে যাবজ্জীবন কালহরণ করা নিতান্ত মানস ছিল, কিন্তু আমার মাতার তাহ সম্মত নহে ! আমি কি করিতে পারি, অামাকে অবশ্যই এখান থেকে যাইতে হইল । বিশেষতঃ এ প্রদেশের পুরোহিত মহাশয় আমাকে কহিয়া গিয়াছেন আমার এই মুখাকর গৃহ পরিত্যাগ করা পরমেশ্বরেরই ইচ্ছা, এবং এই জীবনযাত্রাই আমাদের এক প্রকার পরীক্ষাস্তল । আঃ ! বলিতে গেলে ভাই আমার হৃদয় বিদীর্ণ হইতে থাকে, আর বলিতে পারি না ’ । বঞ্জিনিয়ার প্রমুখাৎ এই সকল কথা শ্রবণ করিয়া পাল উত্তর করিল “ ভাল, বর্জিনিয়ে! একটা কথা বলি শুন দেখি, আমাদিগকে পরিত্যাগ করিবার জন্য ম। এত কথা বলিতে পারেন, কিন্তু এ স্থলে অবস্থিতি করিবার নিমিত্ত কি একটা কথাও বলিতে চান না ? ইহাতে ৰোধ হইভেছে ইহার ভিতরে কোন নিগূঢ় কথা থাকিবেক, তাহা আমাদের মনে উদ্ধ ন্ধ হইতেছে না । আহা ! পরমেশ্বর ধনের কি আশ্চর্ষ্য অাকর্ষণী