পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


J উপক্রমণিকা । মালায় বেষ্টিত হওয়াতে বোধ হয় যেন তাহ ঠিক একটি দুর্গের ন্যায় । - যখন সেই গহ্বর দ্বার দিয়া তন্মধ্যে প্রবেশ করা যায়, তখন পৰ্ব্বতীয় প্রতিধ্বনিতে কর্ণকুহর বিদ্ধ হইতে থাকে ৷ হঠাৎ শুনিলে বোধ হয় যেন পৰ্ব্বতের বাতচালিত বন্যরক্ষগণের এবং অবিরত সমুথিত সাগর তরঙ্গের মৰ্ম্মর চটচট শব্দই অভ্যাস করিতেছে ; কিন্তু সেই কুটারদ্বয়ের নিকটস্থ হইলে, আর এ সমস্ত শব্দ কিছুমাত্র অনুভূত হয়না । তথায় সকলি স্থির ও শান্ত । সেই গুহার চতুর্দিকে যে সকল গণ্ডশৈল অাছে, তাহ! অতিশয় সরল। তাহাতে উচ্চ নীচ এবং বক্রভাব অাছে কি না, তাহ সহসা বোধ করা যায় ন} । দেখিলে পর নয়নের সাতিশয় প্রসাদ জন্মে । আহ ! কি অপূৰ্ব্ব গুল্ম লত প্রভৃতি তাহীদের পরিধিমণ্ডলে জন্মিয় রহিয়াছে ! । আর সে সমস্ত, ঐ সকল পৰ্ব্বতের ঘনাচ্ছিন্ন শিখরদেশে জন্মিবাতেই বা তাহ{দিগকে কেমন মুন্দর দেখাইতেছে । আহা ! বৃষ্টির পূৰ্ব্বে যখন রামধনু উঠে, তখন তাহদের চূড়াগ্র সকল কেমন দেদীপ্যমান হয়! এবং বৃষ্টি হইলে তত্রত্য তালন দী * নামক ক্ষুদ্র নদীটি পরিপুরিত হইয়া কতই বা শোভা পায় ! কিন্তু গুহার ভিতরে এ সমস্ত কিছুই নাই, সে স্তান একান্ত শান্ত, এবং সাতিশয় নিস্তব্ধ । পৰ্ব্বতুের প্রতিধ্বনি সেখানে শুনাই যায় না, অধিকন্তু তাহার উপরি ভাগে নিকটে হ যে সকল তালরক্ষ রাজী নাম • গমি রিবর