পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৪০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । ソー 。 চায়ার ন্যায় তোমার অনুগমন করিতে কিছুমাত্র ক্রটি করিব না । তোমাকে মুখ ভাগিনী দেখিয়া আমি আপনাকে সুখী করিয়া মানিব । যেখানে ২ গমন করিয়া তুমি লোকদিগের প্রণয়ভাজন ও পূজনীয় হইবে সেইই স্থানে আমাকে সৰ্ব্বদ। সেইরূপেই দেখিতে পাইৰে । প্রাণ পৰ্য্যন্ত সমর্পণ করিলেও যদি তোমার শ্ৰেয়ঃ হয়, তাহা হইলেও আমি তৎকরণে কদাচ পরাজু,খ হইব না”। পাল এইরূপে বর্জিনিয়ার নিকটে কাকুতি বিনীতি ৰুরিয়া ক্ষান্ত হইলে পর, আমরা শুনিতে পাইলাম বর্জিনিয়া দীর্ঘনিশ্বাস পরিত্যাগপুৰ্ব্বক ৰাষ্পাৰকুদ্ধ গদগদম্বরে পালকে সম্বোধন করিয়া কহিতে লাগিল "দাদা! তুমি কেন ভাই দুঃখিত হইতেছ? আমার বিদেশষত্রিা কেবল তোমারই জন্য । আমি তোমাকে, সৰ্ব্বদা ক্ষমতার অভিরিক্ত পরিশ্রম করিয়া এই দুই নিরুপায় সংসারের ভরণপোষণ করিতে দেখিতে পাইতেছি, তোমার এ ঋণের পরিশোধ করা কি আমাহইতে কখন কোন কালে হইতে পরিবেক ? মধ্যে কতকগুলিন প্রভূত অর্থ হস্তগত হইবার এক সোপান হইয়। উঠিয়াছে, আমি তস্বিষয়ক প্রস্তাৰে সম্মত ন হইয়া আর থাকিতে পরিলাম না । আমি সে সকল অর্থ আনিয়া তোমার হস্তে সমর্পণ করত তোমার অপরিসীম অম্বুগ্রহের কিঞ্চিৎ অংশের পরিশোধ করিতে পারিলেও আমার জন্ম সার্থক বোধ হইবেক, আপনাকেও আপনি চরিতার্থ বলিয়া স্বীকার করিতে পারিব। ভাই ! যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে