পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া। ᎼN9 ↑ ষাপন করিয়া প্রাতঃকালেই গাত্ৰোখানপুৰ্ব্বক আপনদের গৃহাভিমুখে চলিয়। আইল । এইরূপে পাল গুহে যাইতে ২ পথিমধ্যে দেখিত্তে পাইল যে মেরী এক উচ্চতম পৰ্ব্বতের শিখরদেশে আরোহণ করিয়৷ তদ্‌গতচিত্তে সমুদ্রের দিকে দৃষ্টিপাত করিয়া রহিয়াছে । পাল, তাহাকে দেখিবা মাত্র অতিশয় ব্যগ্র হইয়। উচ্চস্বরে ডাকিয় জিজ্ঞাসিভে লাগিল “ ও ৩ মেরী ই ৩, মেরী ই ৩ ! এখন আমাদের বজিনিয়া কোথায় ! মেরীর কর্ণকুহরে পালের শব্দ প্রবিষ্ট হইৰামাত্র সে তৎক্ষণাৎ নীচে দৃষ্টিপাত করিয়া দেখিল পাল উৰ্দ্ধশ্বাসে ধাবমান হইয়। আসিতেছে, ইহাতে সে তখন আর রোদন সম্বরণ করিতে পারিল না । পাল, মূখভ্রষ্ট হরিণের ন্যায় এককালে উদ্ভান্ত ও ব্যাকুল চত্ত হইয়া সেই ধূলিপায় অমনি বন্দরসমীপস্থ উপকূলে গমন করিল। তত্রস্থ সকল লোককে জিজ্ঞসিবাতে তাহারা তাহাকে কহিল “ ৰর্জিনিয়া অদ্য অরুণোদয় সময়ে পোতারোহণ করিয়াছে । জাহাজখান। এ পর্যন্ত কেবল অনুকুল বায়ুর অপেক্ষায় থাকিয়৷ খানিক ক্ষণ হইল খুলিয়া গিয়াছে, এতক্ষণ দৃষ্টিপথের বহিভূত হইয় পড়িয়াছে, ঐ দেখ আর কিছুই দেখা যায় না । পাল তাহাদের মুখ হইতে এই সকল কথা শুনিয় নিস্তব্ধ ভাৰে গৃহাভিমুখে ফিরিয়া আইল । আমাদের পশ্চাদভাগে ঐ, যে উচ্চ ২ ঠিক সোজা পৰ্ব্বত সকল রহিয়াছে দেখিতে পাইতেছ, উহাতে উঠা অতি কঠিন, বিশেষতঃ নিবিড়তর অরণ্যময় হওয়াতেঐ স্থান প্রায় মনুষ্যেরই গম্য নহে । কিন্তু পাল তখন